রাজধানীর খিলগাঁওয়ের পশ্চিম নন্দীপাড়ায় ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম সোহেলের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ এনে বিচার, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তাঁর পরিবার।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম সোহেলের স্ত্রী তারিন আক্তার।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। তাঁর অভিযোগ, ওই চক্র তাঁর স্বামীর কাছেও মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখলের চেষ্টা এবং পরবর্তীতে হামলার ঘটনা ঘটে।
তিনি জানান, গত ২৬ জুলাই ২০২৬ সকালে পশ্চিম নন্দীপাড়ায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর স্বামীর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে গুরুতর আহত খোরশেদ আলম সোহেলকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সুপারম্যাক্স হেলথকেয়ার লিমিটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তারিন আক্তার অভিযোগ করেন, হামলার ঘটনায় রতন, খোকন, মাসুম, কাউছার, হাবিব ও রাফিসহ কয়েকজন জড়িত। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহারে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করে তারিন আক্তার বলেন, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের পশ্চিম নন্দীপাড়ায় ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম সোহেলের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ এনে বিচার, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তাঁর পরিবার।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম সোহেলের স্ত্রী তারিন আক্তার।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। তাঁর অভিযোগ, ওই চক্র তাঁর স্বামীর কাছেও মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখলের চেষ্টা এবং পরবর্তীতে হামলার ঘটনা ঘটে।
তিনি জানান, গত ২৬ জুলাই ২০২৬ সকালে পশ্চিম নন্দীপাড়ায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর স্বামীর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে গুরুতর আহত খোরশেদ আলম সোহেলকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সুপারম্যাক্স হেলথকেয়ার লিমিটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তারিন আক্তার অভিযোগ করেন, হামলার ঘটনায় রতন, খোকন, মাসুম, কাউছার, হাবিব ও রাফিসহ কয়েকজন জড়িত। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহারে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করে তারিন আক্তার বলেন, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
