বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

বাগমারায় ব্যবসায়ীকে গুলি ও হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পুকুর ইজারার অর্থ ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলা ও গুলির অভিযোগ উঠেছে। আহত আবদুল মতিন (৪৮) বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।আবদুল মতিন উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং হামিরকুৎসা বাজারের একজন ব্যবসায়ী। উপজেলার চন্দ্রপুর ও উদপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদপাড়া গ্রামের ওসমান আলী ও তাঁর ভাতিজা আবদুল মতিনের মধ্যে একটি পুকুরের ইজারার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ১৮ মে হামিরকুৎসা বাজারে আবদুল মতিনের দোকানে ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ওসমান আলী ও তাঁর ছেলে আবদুল খলিলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। পরে তারা জামিনে মুক্তি পান।পরবর্তীতে আবদুল মতিনকে প্রধান আসামি করে একটি পাল্টা মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালানোর পর রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার দিকে আবদুল মতিন বাড়িতে ফেরেন। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে ধরতে গেলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে উদপাড়া এলাকায় তাকে ধরে ফেলা হয়।আহতের পরিবারের অভিযোগ, সেখানে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয় এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।আহতের শ্যালক লিটন হোসেন দাবি করেন, প্রতিপক্ষের হামলায় আবদুল মতিন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবদুল খলিল বলেন, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, মারামারির ঘটনার কথা তিনি শুনেছেন। তবে গুলি বা হামলার বিষয়ে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাগমারায় ব্যবসায়ীকে গুলি ও হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি