দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় আলোচিত অলেদা বেওয়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ বিকেলে পালশা ইউনিয়নের পূর্ব পালশা গ্রামে নিজ বাড়িতে একা অবস্থানকালে অলেদা বেওয়াকে দুর্বৃত্তরা শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে তার ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে পালিয়ে যায় তারা।
ঘটনার পর ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পুলিশ সুপার মোঃ জেদান আল মুসার নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে ডিবি, সাইবার ইউনিট ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়।
অভিযানে গ্রেফতার করা হয়-মোঃ ফজলে রাব্বী (২৯), মোঃ মুসফিকুর রহমান রাজ (৩৪), মোঃ নাজমুল হুদা শান্ত (২৬)।
পুলিশ জানায়, ফজলে রাব্বী ও রাজকে ঢাকার আশুলিয়া থেকে এবং শান্তকে ঘোড়াঘাটের নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, অনলাইন জুয়ার আসক্তি ও ঋণের চাপ থেকে মুক্তি পেতে তারা এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। ভুক্তভোগীর আত্মীয় হওয়ায় ফজলে রাব্বী আগে থেকেই বাড়ির ভেতরের তথ্য জানতেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা ঘরে প্রবেশ করে প্রথমে বৃদ্ধার মুখ চেপে ধরে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় আলোচিত অলেদা বেওয়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ বিকেলে পালশা ইউনিয়নের পূর্ব পালশা গ্রামে নিজ বাড়িতে একা অবস্থানকালে অলেদা বেওয়াকে দুর্বৃত্তরা শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে তার ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে পালিয়ে যায় তারা।
ঘটনার পর ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পুলিশ সুপার মোঃ জেদান আল মুসার নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে ডিবি, সাইবার ইউনিট ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়।
অভিযানে গ্রেফতার করা হয়-মোঃ ফজলে রাব্বী (২৯), মোঃ মুসফিকুর রহমান রাজ (৩৪), মোঃ নাজমুল হুদা শান্ত (২৬)।
পুলিশ জানায়, ফজলে রাব্বী ও রাজকে ঢাকার আশুলিয়া থেকে এবং শান্তকে ঘোড়াঘাটের নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, অনলাইন জুয়ার আসক্তি ও ঋণের চাপ থেকে মুক্তি পেতে তারা এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। ভুক্তভোগীর আত্মীয় হওয়ায় ফজলে রাব্বী আগে থেকেই বাড়ির ভেতরের তথ্য জানতেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা ঘরে প্রবেশ করে প্রথমে বৃদ্ধার মুখ চেপে ধরে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।
