রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ঘাঘট নদীতে পড়ে রোহান নামে ১৯ মাস বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুরে নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রোহান গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বকশীগঞ্জ এলাকার জুয়েলের ছেলে। সে মা রেজিয়ার সঙ্গে নানাবাড়ি বেতগাড়ী ইউনিয়নের শাতআনী এলাকায় থাকত।
স্থানীয়রা জানান, সকালে ঘাঘট নদীর পাড়ে খেলতে গিয়েছিল রোহান। সকাল ৭টার দিকে তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয়রাও শিশুটির সন্ধানে আশপাশের এলাকায় খোঁজ করেন।
একপর্যায়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বেতগাড়ী ইউনিয়নের জালিয়াটারী এলাকায় ঘাঘট নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি নিখোঁজ রোহানের বলে শনাক্ত করেন।
রোহানের মা রেজিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সকালে খেলতে যাওয়ার পর ভেবেছিলেন ছেলে খেলাধুলা শেষে বাড়ি ফিরে আসবে। কিন্তু দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর নদী থেকে ছেলের মরদেহ পাওয়ার ঘটনায় তিনি ভেঙে পড়েছেন।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হানিফ সরকার জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ঘাঘট নদীতে পড়ে রোহান নামে ১৯ মাস বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুরে নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রোহান গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বকশীগঞ্জ এলাকার জুয়েলের ছেলে। সে মা রেজিয়ার সঙ্গে নানাবাড়ি বেতগাড়ী ইউনিয়নের শাতআনী এলাকায় থাকত।
স্থানীয়রা জানান, সকালে ঘাঘট নদীর পাড়ে খেলতে গিয়েছিল রোহান। সকাল ৭টার দিকে তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয়রাও শিশুটির সন্ধানে আশপাশের এলাকায় খোঁজ করেন।
একপর্যায়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বেতগাড়ী ইউনিয়নের জালিয়াটারী এলাকায় ঘাঘট নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি নিখোঁজ রোহানের বলে শনাক্ত করেন।
রোহানের মা রেজিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সকালে খেলতে যাওয়ার পর ভেবেছিলেন ছেলে খেলাধুলা শেষে বাড়ি ফিরে আসবে। কিন্তু দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর নদী থেকে ছেলের মরদেহ পাওয়ার ঘটনায় তিনি ভেঙে পড়েছেন।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হানিফ সরকার জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন।
