গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ১৭ জন শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর মধ্যে ১৬ জনকে শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগদান না করার অভিযোগে এবং একজনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক অসদাচরণের অভিযোগে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাহবুবুল আলম প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ১৬ শিক্ষক অনুমোদন ছাড়া বিদেশে অবস্থান করেন এবং শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক লিখিত নোটিশ পাওয়ার পরও কর্মস্থলে যোগদান করেননি। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ী চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের ছুটিকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রহণ করা সব ধরনের আর্থিক সুবিধা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ফেরত দিতে হবে।
এদিকে, পৃথক সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন এবং নৈতিক অসদাচরণের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ১৭ জন শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর মধ্যে ১৬ জনকে শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগদান না করার অভিযোগে এবং একজনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক অসদাচরণের অভিযোগে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাহবুবুল আলম প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ১৬ শিক্ষক অনুমোদন ছাড়া বিদেশে অবস্থান করেন এবং শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক লিখিত নোটিশ পাওয়ার পরও কর্মস্থলে যোগদান করেননি। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ী চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের ছুটিকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রহণ করা সব ধরনের আর্থিক সুবিধা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ফেরত দিতে হবে।
এদিকে, পৃথক সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন এবং নৈতিক অসদাচরণের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
