মাদকাসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের লক্ষ্যে গোপালগঞ্জে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্বচ্ছতা সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান।
মাদক প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
সভায় বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা। এর বিস্তার রোধে শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম ও সাধারণ নাগরিকদের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য ও সামাজিক ক্ষতির দিক তুলে ধরা
আলোচনা সভায় মাদকাসক্তির কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি, পারিবারিক অস্থিরতা, সামাজিক অবক্ষয় ও অর্থনৈতিক ক্ষতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
বক্তারা বলেন, মাদক প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা, শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা এবং গণমাধ্যমের ইতিবাচক প্রচারণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ
সভায় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের সদস্য, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অব্যাহত থাকবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা ও সমন্বিত কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
একই সঙ্গে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
মাদকাসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের লক্ষ্যে গোপালগঞ্জে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্বচ্ছতা সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান।
মাদক প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
সভায় বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা। এর বিস্তার রোধে শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম ও সাধারণ নাগরিকদের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য ও সামাজিক ক্ষতির দিক তুলে ধরা
আলোচনা সভায় মাদকাসক্তির কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি, পারিবারিক অস্থিরতা, সামাজিক অবক্ষয় ও অর্থনৈতিক ক্ষতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
বক্তারা বলেন, মাদক প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা, শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা এবং গণমাধ্যমের ইতিবাচক প্রচারণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ
সভায় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের সদস্য, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অব্যাহত থাকবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা ও সমন্বিত কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
একই সঙ্গে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
