গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর মন্ডল মার্কেট সংলগ্ন একটি খালকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, খালের ভেতরে পাকা স্থাপনা নির্মাণের কারণে এর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সরেজমিনে দেখা যায়, খালের একটি অংশ দখল করে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছিল। এলাকাবাসীর দাবি, অনিমেষ বিশ্বাস নামের এক পশু চিকিৎসক সাবেক মেম্বার বাবুল বিশ্বাসের প্রভাব খাটিয়ে খালের ভেতরেই এ নির্মাণকাজ চালাচ্ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, খালটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার পানি নিষ্কাশন, কৃষি ও মাছের প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং সাম্প্রতিক দখল ও নির্মাণকাজের কারণে এর স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
খালটি যদি এভাবে দখল হয়ে যায়, তাহলে বর্ষায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা তৈরি হবে। মাছের প্রজননও নষ্ট হবে, যা জেলেদের জন্য বড় ক্ষতি।
ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকরা সহকারী তহসিলদার শাহারিয়ারকে অবহিত করলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন।
তবে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, এটি তাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি, তাই সেখানে তারা বৈধভাবেই কাজ করছিলেন।
এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন, যাতে খালটি দখলমুক্ত হয়ে এর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশ রক্ষা করা যায়।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর মন্ডল মার্কেট সংলগ্ন একটি খালকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, খালের ভেতরে পাকা স্থাপনা নির্মাণের কারণে এর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সরেজমিনে দেখা যায়, খালের একটি অংশ দখল করে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছিল। এলাকাবাসীর দাবি, অনিমেষ বিশ্বাস নামের এক পশু চিকিৎসক সাবেক মেম্বার বাবুল বিশ্বাসের প্রভাব খাটিয়ে খালের ভেতরেই এ নির্মাণকাজ চালাচ্ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, খালটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার পানি নিষ্কাশন, কৃষি ও মাছের প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং সাম্প্রতিক দখল ও নির্মাণকাজের কারণে এর স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
খালটি যদি এভাবে দখল হয়ে যায়, তাহলে বর্ষায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা তৈরি হবে। মাছের প্রজননও নষ্ট হবে, যা জেলেদের জন্য বড় ক্ষতি।
ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকরা সহকারী তহসিলদার শাহারিয়ারকে অবহিত করলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন।
তবে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, এটি তাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি, তাই সেখানে তারা বৈধভাবেই কাজ করছিলেন।
এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন, যাতে খালটি দখলমুক্ত হয়ে এর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশ রক্ষা করা যায়।
