পবিত্র ঈদ-উল-আযহা যথাযোগ্য মর্যাদা, আনন্দ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে কোরবানির পশুর হাটে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলাজুড়ে নিবিড় মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা-খুলনা জাতীয় মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে। মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ ও যানজটপ্রবণ পয়েন্টগুলোকে বিশেষ মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
একই সঙ্গে বাস কাউন্টারগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান ও পরিদর্শন চালানো হচ্ছে। যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
অন্যদিকে, জেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটগুলোতেও নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে নিবিড় তদারকি করছে প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিয়মিত হাট পরিদর্শন করছেন।
জাল নোট প্রতিরোধে প্রতিটি পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত টোল বা হাসিল আদায় নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন।
জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদ উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো অনিয়ম প্রতিরোধে ঈদের দিন পর্যন্ত এই তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রশাসনের এসব সময়োপযোগী উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপনের আশা করছেন গোপালগঞ্জবাসী।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদ-উল-আযহা যথাযোগ্য মর্যাদা, আনন্দ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে কোরবানির পশুর হাটে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলাজুড়ে নিবিড় মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা-খুলনা জাতীয় মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে। মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ ও যানজটপ্রবণ পয়েন্টগুলোকে বিশেষ মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
একই সঙ্গে বাস কাউন্টারগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান ও পরিদর্শন চালানো হচ্ছে। যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
অন্যদিকে, জেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটগুলোতেও নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে নিবিড় তদারকি করছে প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিয়মিত হাট পরিদর্শন করছেন।
জাল নোট প্রতিরোধে প্রতিটি পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত টোল বা হাসিল আদায় নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন।
জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদ উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো অনিয়ম প্রতিরোধে ঈদের দিন পর্যন্ত এই তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রশাসনের এসব সময়োপযোগী উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপনের আশা করছেন গোপালগঞ্জবাসী।
