মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ হত্যার পর পদ্মা সেতু থেকে ঝাঁপ?

গাজীপুরের আলোচিত ৫ খুন: পদ্মা নদীতে মিলল অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ

গাজীপুরের আলোচিত ৫ খুন: পদ্মা নদীতে মিলল অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ
ছবি: চেকপোস্ট

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ পাঁচজনকে হত্যার আলোচিত ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পদ্মা নদী থেকে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে ফোরকানের ব্যাগ ও জামাকাপড় উদ্ধার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর তিনি সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ জানায়, পাঁচ খুনের ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল কাজ করছিল। তদন্তের একপর্যায়ে পদ্মা সেতুর ওপর একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সেগুলো ফোরকানের বলে নিশ্চিত হয় সিআইডি। এর কয়েক ঘণ্টা পর পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাড়িতে ঘটে মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ড। নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।

পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে ওই বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের মেরী গোপীনাথপুর গ্রামে।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন শনিবার সকালে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। পরে প্রতিবেশীরা বাড়িতে গিয়ে লোমহর্ষক দৃশ্য দেখতে পান।

ঘরের মেঝেতে তিন শিশুকন্যার গলাকাটা মরদেহ পাশাপাশি পড়ে ছিল। মা শারমিনের মরদেহ জানালার গ্রিলে হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় ঝুলছিল এবং শ্যালক রসুল মিয়ার মরদেহ পড়ে ছিল বিছানার ওপর। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল, রান্না করা পায়েশ ও কোকাকোলার বোতল উদ্ধার করে পুলিশ।

এছাড়া ঘটনাস্থলে পাওয়া কিছু প্রিন্ট করা কাগজের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে, ফোরকান এর আগে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগপত্রে স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়ও উল্লেখ ছিল।

প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের ধারণা, পারিবারিক কলহ ও পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এরই মধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

#গাজীপুর_নিভজ #পাঁচ_খুন #ফোরকান

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


গাজীপুরের আলোচিত ৫ খুন: পদ্মা নদীতে মিলল অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ পাঁচজনকে হত্যার আলোচিত ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পদ্মা নদী থেকে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে ফোরকানের ব্যাগ ও জামাকাপড় উদ্ধার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর তিনি সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ জানায়, পাঁচ খুনের ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল কাজ করছিল। তদন্তের একপর্যায়ে পদ্মা সেতুর ওপর একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সেগুলো ফোরকানের বলে নিশ্চিত হয় সিআইডি। এর কয়েক ঘণ্টা পর পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাড়িতে ঘটে মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ড। নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।

পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে ওই বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের মেরী গোপীনাথপুর গ্রামে।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন শনিবার সকালে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। পরে প্রতিবেশীরা বাড়িতে গিয়ে লোমহর্ষক দৃশ্য দেখতে পান।

ঘরের মেঝেতে তিন শিশুকন্যার গলাকাটা মরদেহ পাশাপাশি পড়ে ছিল। মা শারমিনের মরদেহ জানালার গ্রিলে হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় ঝুলছিল এবং শ্যালক রসুল মিয়ার মরদেহ পড়ে ছিল বিছানার ওপর। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল, রান্না করা পায়েশ ও কোকাকোলার বোতল উদ্ধার করে পুলিশ।

এছাড়া ঘটনাস্থলে পাওয়া কিছু প্রিন্ট করা কাগজের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে, ফোরকান এর আগে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগপত্রে স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়ও উল্লেখ ছিল।

প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের ধারণা, পারিবারিক কলহ ও পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এরই মধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত