গাজার ভবিষ্যৎ ও যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান আলোচনায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। হামাসসহ ফিলিস্তিনি দলগুলোর দেওয়া একটি যৌথ প্রস্তাব ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছে। এর ফলে গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
রোববার ৩ মে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই এক ঊর্ধ্বতন ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাতে জানায়, প্রস্তাবে হামাসকে নিরস্ত্র হওয়ার শর্ত থাকলেও তার বিনিময়ে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দাবি করা হয়।
ফিলিস্তিনি দলগুলো জানায়, নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত হওয়ার পরেই হতে পারে। একই সঙ্গে গাজায় হামলা বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে কায়রো ও ইস্তাম্বুলে একাধিক বৈঠক হলেও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য দেখা গেছে। মূল বিরোধের বিষয় ছিল টেকনোক্র্যাটিক প্রশাসন গঠনের আগে হামাসকে অবশ্যই নিরস্ত্র হতে হবে কি না।
সূত্রটি জানায়, গত শুক্রবার ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা তাদের প্রস্তাব মিশর ও তুরস্কের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে পরদিনই মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে।
এছাড়া আমেরিকার পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনি আলোচকদের গাজায় নতুন করে সামরিক অভিযানের হুমকি বার্তাও পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
ফিলিস্তিনি দলগুলোর অবস্থান, রাজনৈতিক সমাধান ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ছাড়া নিরস্ত্রীকরণ সম্ভব নয়। অন্যদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এটি টেকসই যুদ্ধবিরতির জন্য বাধ্যতামূলক শর্ত।
এ পরিস্থিতিতে গাজা ইস্যুতে শান্তি আলোচনা কার্যত অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
গাজার ভবিষ্যৎ ও যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান আলোচনায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। হামাসসহ ফিলিস্তিনি দলগুলোর দেওয়া একটি যৌথ প্রস্তাব ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছে। এর ফলে গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
রোববার ৩ মে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই এক ঊর্ধ্বতন ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাতে জানায়, প্রস্তাবে হামাসকে নিরস্ত্র হওয়ার শর্ত থাকলেও তার বিনিময়ে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দাবি করা হয়।
ফিলিস্তিনি দলগুলো জানায়, নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত হওয়ার পরেই হতে পারে। একই সঙ্গে গাজায় হামলা বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে কায়রো ও ইস্তাম্বুলে একাধিক বৈঠক হলেও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য দেখা গেছে। মূল বিরোধের বিষয় ছিল টেকনোক্র্যাটিক প্রশাসন গঠনের আগে হামাসকে অবশ্যই নিরস্ত্র হতে হবে কি না।
সূত্রটি জানায়, গত শুক্রবার ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা তাদের প্রস্তাব মিশর ও তুরস্কের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে পরদিনই মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে।
এছাড়া আমেরিকার পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনি আলোচকদের গাজায় নতুন করে সামরিক অভিযানের হুমকি বার্তাও পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
ফিলিস্তিনি দলগুলোর অবস্থান, রাজনৈতিক সমাধান ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ছাড়া নিরস্ত্রীকরণ সম্ভব নয়। অন্যদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এটি টেকসই যুদ্ধবিরতির জন্য বাধ্যতামূলক শর্ত।
এ পরিস্থিতিতে গাজা ইস্যুতে শান্তি আলোচনা কার্যত অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
