দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার দক্ষিণ বালাপাড়া মালোরপাড়া এলাকার দারুসসালাম নূরানী ইসলামী একাডেমির প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকার পর গভীর রাতে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ১০টা থেকে অভিযোগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় এবং তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ওঠে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা বা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে আরও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে তারা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে অনড় অবস্থান নেন।
রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাছেদ সরদারের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেনকে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। তবে সেসব অভিযোগের বিষয়ে আইনগতভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা উদঘাটন এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাছেদ সরদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার দক্ষিণ বালাপাড়া মালোরপাড়া এলাকার দারুসসালাম নূরানী ইসলামী একাডেমির প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকার পর গভীর রাতে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ১০টা থেকে অভিযোগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় এবং তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ওঠে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা বা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে আরও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে তারা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে অনড় অবস্থান নেন।
রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাছেদ সরদারের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেনকে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। তবে সেসব অভিযোগের বিষয়ে আইনগতভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা উদঘাটন এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাছেদ সরদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
