বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

অনুপস্থিত থেকেও বেতন তোলার অভিযোগ

কুড়িগ্রামে মাদরাসা প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, ১১ সদস্যের পদত্যাগ

কুড়িগ্রামে মাদরাসা প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, ১১ সদস্যের পদত্যাগ
ছবি: চেকপোস্ট

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার একটি ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ম্যানেজিং কমিটির ১৪ সদস্যের মধ্যে ১১ জন একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

রোববার (৩ মে) বিকেলে মাদরাসার অফিস কক্ষে তারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। এ সময় শিক্ষক ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কামাল খামার ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মো. লিয়াকত আলী। কমিটির সদস্যরা দাবি করেছেন, তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে নিয়মিত অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন।

ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল মান্নান অভিযোগ করেন, প্রিন্সিপাল কমিটির সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের চেষ্টা করছেন এবং শিক্ষকদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন।

শিক্ষক প্রতিনিধি মাসুদ আলী জানান, গত দুই বছরে টিউশন ফি বাবদ প্রায় ৫ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া একাধিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেও বিষয়টি শিক্ষক বা কমিটিকে জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে এবং শিক্ষক-কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ৩৯ জন কর্মরত রয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল লিয়াকত আলীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

#কুড়িগ্রাম_সংবাদ #মাদরাসাখবর #দুর্নীতিরঅভিযোগ

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


কুড়িগ্রামে মাদরাসা প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, ১১ সদস্যের পদত্যাগ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার একটি ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ম্যানেজিং কমিটির ১৪ সদস্যের মধ্যে ১১ জন একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

রোববার (৩ মে) বিকেলে মাদরাসার অফিস কক্ষে তারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। এ সময় শিক্ষক ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কামাল খামার ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মো. লিয়াকত আলী। কমিটির সদস্যরা দাবি করেছেন, তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে নিয়মিত অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন।

ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল মান্নান অভিযোগ করেন, প্রিন্সিপাল কমিটির সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের চেষ্টা করছেন এবং শিক্ষকদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন।

শিক্ষক প্রতিনিধি মাসুদ আলী জানান, গত দুই বছরে টিউশন ফি বাবদ প্রায় ৫ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া একাধিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেও বিষয়টি শিক্ষক বা কমিটিকে জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে এবং শিক্ষক-কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ৩৯ জন কর্মরত রয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল লিয়াকত আলীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত