মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

চরাঞ্চলে ঘরহারা মানুষ

কুড়িগ্রামে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড

কুড়িগ্রামে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড
ছবি: চেকপোস্ট

কুড়িগ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) রাত প্রায় ১টার দিকে আকস্মিক ঝড়ে জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরোধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে চরাঞ্চলের অনেক বসতঘর ভেঙে পড়ে, এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ।

গত কয়েক দিন ধরেই জেলায় মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও থেমে থেমে বৃষ্টি চলছিল। এরই মধ্যে হঠাৎ তীব্র দমকা হাওয়াসহ ঝড় শুরু হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের শিবরাম রাঙ্গাতিপাড়া গ্রামের খোকন আলী বলেন, “গতরাতের ঝড়ে গাছ ভেঙে আমার টিনের চালের ওপর পড়েছে। আমি গরিব মানুষ, এখন কীভাবে ঘর মেরামত করব বুঝতে পারছি না।”

হলখানা ইউনিয়নের চর সারোডোব এলাকার ইসমাইল হোসেন জানান, ঝড়ে তার তিনটি ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। “টাকা-পয়সা নাই, এখন পরিবার নিয়ে কেমন করে থাকব বুঝতে পারছি না,” বলেন তিনি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, মৌসুমের স্বাভাবিক প্রভাবে কালবৈশাখী ঝড় ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বেনজীর রহমান বলেন, চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় আগাম ত্রাণ বরাদ্দ রয়েছে। বাকি উপজেলাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সহায়তা প্রদান করা হবে।

#কালবৈশাখী #কুড়িগ্রাম_সংবাদ #ঝড়ের_ক্ষয়ক্ষতি

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


কুড়িগ্রামে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) রাত প্রায় ১টার দিকে আকস্মিক ঝড়ে জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরোধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে চরাঞ্চলের অনেক বসতঘর ভেঙে পড়ে, এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ।

গত কয়েক দিন ধরেই জেলায় মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও থেমে থেমে বৃষ্টি চলছিল। এরই মধ্যে হঠাৎ তীব্র দমকা হাওয়াসহ ঝড় শুরু হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের শিবরাম রাঙ্গাতিপাড়া গ্রামের খোকন আলী বলেন, “গতরাতের ঝড়ে গাছ ভেঙে আমার টিনের চালের ওপর পড়েছে। আমি গরিব মানুষ, এখন কীভাবে ঘর মেরামত করব বুঝতে পারছি না।”

হলখানা ইউনিয়নের চর সারোডোব এলাকার ইসমাইল হোসেন জানান, ঝড়ে তার তিনটি ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। “টাকা-পয়সা নাই, এখন পরিবার নিয়ে কেমন করে থাকব বুঝতে পারছি না,” বলেন তিনি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, মৌসুমের স্বাভাবিক প্রভাবে কালবৈশাখী ঝড় ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বেনজীর রহমান বলেন, চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় আগাম ত্রাণ বরাদ্দ রয়েছে। বাকি উপজেলাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সহায়তা প্রদান করা হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত