শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মালিক পক্ষের অভিযোগে চাঞ্চল্য

কমলনগরে ব্যক্তিমালিকানার জমিতে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণের অভিযোগ

কমলনগরে ব্যক্তিমালিকানার জমিতে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণের অভিযোগ
ছবি: চেকপোস্ট

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণকে কেন্দ্র করে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। জমির মালিক দাবি করা পক্ষ অভিযোগ করেছে, তাদের মালিকানাধীন জমিতে অনুমতি ছাড়া ‘জামিয়া মাদানিয়া’ নামে একটি মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, আরএস খতিয়ান ৯২৫-এর ৮৭৯ নম্বর দাগভুক্ত প্রায় ১ দশমিক ৫৩ একর জমি দীর্ঘ ৪০ থেকে ৪৫ বছর ধরে তারা ভোগদখল ও চাষাবাদ করে আসছেন। তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ওই জমিতে দ্রুত বালু ভরাট করে মসজিদ-মাদ্রাসার স্থাপনা নির্মাণ করা হয়।

জমির মালিক দাবি করা মনসুরা খাতুনের ছেলে দুলাল ও ফখর উদ্দিন বলেন, ব্যবসায়িক কারণে তারা বছরের অধিকাংশ সময় ঢাকায় অবস্থান করেন। এই সুযোগে তাদের জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। এছাড়া তারা আরও দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার অভিযোগ করেও কার্যকর সমাধান পাননি।

এদিকে, মসজিদ-মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি জানান, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি তারা শুনে আসছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযোগকারী পক্ষ প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্রও তাদের কাছে জমা দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা চলছে বলে তারা জানান।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে কয়েকজনও জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কথা স্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।

স্থানীয় কয়েকজন মুসল্লি জানান, মসজিদ-মাদ্রাসাটি তুলনামূলক স্বল্প সময়ে নির্মিত হয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে নিয়মিত জুমার নামাজ আদায় করা হচ্ছে। তবে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কারণে এলাকায় আলোচনা ও মতভেদ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্ত ও আইনানুগ পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী পক্ষ।

জমির প্রকৃত মালিকানা, স্থাপনা নির্মাণের বৈধতা এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে প্রশাসনিক তদন্ত ও ভূমি সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই প্রয়োজন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

#জমি_বিরোধ #লক্ষ্মীপুর #কমলনগর_খবর

চেকপোস্ট

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


কমলনগরে ব্যক্তিমালিকানার জমিতে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬

featured Image

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণকে কেন্দ্র করে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। জমির মালিক দাবি করা পক্ষ অভিযোগ করেছে, তাদের মালিকানাধীন জমিতে অনুমতি ছাড়া ‘জামিয়া মাদানিয়া’ নামে একটি মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, আরএস খতিয়ান ৯২৫-এর ৮৭৯ নম্বর দাগভুক্ত প্রায় ১ দশমিক ৫৩ একর জমি দীর্ঘ ৪০ থেকে ৪৫ বছর ধরে তারা ভোগদখল ও চাষাবাদ করে আসছেন। তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ওই জমিতে দ্রুত বালু ভরাট করে মসজিদ-মাদ্রাসার স্থাপনা নির্মাণ করা হয়।

জমির মালিক দাবি করা মনসুরা খাতুনের ছেলে দুলাল ও ফখর উদ্দিন বলেন, ব্যবসায়িক কারণে তারা বছরের অধিকাংশ সময় ঢাকায় অবস্থান করেন। এই সুযোগে তাদের জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। এছাড়া তারা আরও দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার অভিযোগ করেও কার্যকর সমাধান পাননি।

এদিকে, মসজিদ-মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি জানান, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি তারা শুনে আসছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযোগকারী পক্ষ প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্রও তাদের কাছে জমা দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা চলছে বলে তারা জানান।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে কয়েকজনও জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কথা স্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।

স্থানীয় কয়েকজন মুসল্লি জানান, মসজিদ-মাদ্রাসাটি তুলনামূলক স্বল্প সময়ে নির্মিত হয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে নিয়মিত জুমার নামাজ আদায় করা হচ্ছে। তবে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কারণে এলাকায় আলোচনা ও মতভেদ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্ত ও আইনানুগ পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী পক্ষ।

জমির প্রকৃত মালিকানা, স্থাপনা নির্মাণের বৈধতা এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে প্রশাসনিক তদন্ত ও ভূমি সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই প্রয়োজন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত