বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

কমলনগরে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির মামলায় দেড় মাসেও গ্রেপ্তার নেই, আতঙ্কে পরিবার

কমলনগরে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির মামলায় দেড় মাসেও গ্রেপ্তার নেই, আতঙ্কে পরিবার
ছবি: প্রতিকী

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান দুই আসামি দেড় মাস পেরিয়েও গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার। এ ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১০ মে কমলনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় চর কাদিরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা খলিল ওরফে খল্লা এবং রাজুকে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মামলা হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাদের দাবি, আসামিদের স্বজনরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে, ফলে তারা আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছেন।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, “মামলা করার পর দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেছে। আমার স্বামী প্রবাসে থাকেন। ছোট দুই সন্তান নিয়ে আমি সব সময় আতঙ্কে থাকি। আমি আমার পরিবারের নিরাপত্তা এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার চাই।”

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ এপ্রিল রাতে উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নে এক প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে দুই শিশুকে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়। পরে তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে অভিযুক্তদের আটক করেন। তবে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে সমাধান না হওয়ায় ভুক্তভোগী আইনের আশ্রয় নেন।

তবে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের গ্রেপ্তারে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

কমলনগর থানার পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে এবং ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬


কমলনগরে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির মামলায় দেড় মাসেও গ্রেপ্তার নেই, আতঙ্কে পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬

featured Image

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান দুই আসামি দেড় মাস পেরিয়েও গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার। এ ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১০ মে কমলনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় চর কাদিরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা খলিল ওরফে খল্লা এবং রাজুকে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মামলা হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাদের দাবি, আসামিদের স্বজনরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে, ফলে তারা আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছেন।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, “মামলা করার পর দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেছে। আমার স্বামী প্রবাসে থাকেন। ছোট দুই সন্তান নিয়ে আমি সব সময় আতঙ্কে থাকি। আমি আমার পরিবারের নিরাপত্তা এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার চাই।”

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ এপ্রিল রাতে উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নে এক প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে দুই শিশুকে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়। পরে তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে অভিযুক্তদের আটক করেন। তবে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে সমাধান না হওয়ায় ভুক্তভোগী আইনের আশ্রয় নেন।

তবে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের গ্রেপ্তারে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

কমলনগর থানার পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে এবং ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত