প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিভেদ নয়, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৈশভোজের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, আমরা অতীতে একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব। আপনাদের ছেড়ে যাওয়ার কোনো যুক্তিই নেই।
তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে বিভেদ থাকা উচিত নয়। জনগণের আস্থাই সরকার ও শরিকদের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সমর্থন যতদিন থাকবে, ততদিন সরকার ও যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের শক্তিও অটুট থাকবে। রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা ও জুলাই সনদের আলোকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বক্তব্যে একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় যাদের রাজপথে দেখা যায়নি, তারা এখন আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করছে। তিনি এসব ‘গুপ্ত’ শক্তির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি কেবল রাজনৈতিক দলগুলোর নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের ৩১ দফায় পরিণত হয়েছে। তাই এটি বাস্তবায়নে সব সমমনা দলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
দেশ পরিচালনার বাস্তবতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময়ের অব্যবস্থাপনার কারণে অর্থনীতি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভঙ্গুর পরিস্থিতি রেখে যাওয়া হয়েছিল। এরপরও সরকার জনগণকে স্বস্তি দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে বিভিন্ন শরিক দলের নেতারা শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
নৈশভোজে বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ৪১টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি একসঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী ও জোটের নেতারা।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিভেদ নয়, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৈশভোজের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, আমরা অতীতে একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব। আপনাদের ছেড়ে যাওয়ার কোনো যুক্তিই নেই।
তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে বিভেদ থাকা উচিত নয়। জনগণের আস্থাই সরকার ও শরিকদের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সমর্থন যতদিন থাকবে, ততদিন সরকার ও যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের শক্তিও অটুট থাকবে। রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা ও জুলাই সনদের আলোকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বক্তব্যে একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় যাদের রাজপথে দেখা যায়নি, তারা এখন আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করছে। তিনি এসব ‘গুপ্ত’ শক্তির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি কেবল রাজনৈতিক দলগুলোর নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের ৩১ দফায় পরিণত হয়েছে। তাই এটি বাস্তবায়নে সব সমমনা দলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
দেশ পরিচালনার বাস্তবতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময়ের অব্যবস্থাপনার কারণে অর্থনীতি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভঙ্গুর পরিস্থিতি রেখে যাওয়া হয়েছিল। এরপরও সরকার জনগণকে স্বস্তি দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে বিভিন্ন শরিক দলের নেতারা শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
নৈশভোজে বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ৪১টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি একসঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী ও জোটের নেতারা।
