এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য বদলি নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে বিশেষ করে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজ জেলায় বদলির সুযোগ পাবেন।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী বদলি নীতিমালা-২০২৬’ শীর্ষক এক আলোচনাসভায় এ তথ্য জানান তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আরও জানান, বদলি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি বিশেষ সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। তবে এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, “শুধু শিক্ষক নয়, হেডমাস্টারসহ সকল স্তরের কর্মচারীকেই এই নীতিমালার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে কোনো প্রতিষ্ঠানে পদ শূন্য হলে দ্রুত বদলির মাধ্যমে তা পূরণ করা সম্ভব হবে।”
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বদলি সংক্রান্ত জটিলতা অনেকাংশে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য বদলি নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে বিশেষ করে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজ জেলায় বদলির সুযোগ পাবেন।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী বদলি নীতিমালা-২০২৬’ শীর্ষক এক আলোচনাসভায় এ তথ্য জানান তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আরও জানান, বদলি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি বিশেষ সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। তবে এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, “শুধু শিক্ষক নয়, হেডমাস্টারসহ সকল স্তরের কর্মচারীকেই এই নীতিমালার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে কোনো প্রতিষ্ঠানে পদ শূন্য হলে দ্রুত বদলির মাধ্যমে তা পূরণ করা সম্ভব হবে।”
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বদলি সংক্রান্ত জটিলতা অনেকাংশে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
