নাসিরনগর উপজেলাে কোরবানির ঈদকে ঘিরে কামারপল্লীগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। হাতুড়ির টুংটাং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
পবিত্র ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই দা, বটি, চাপাতিসহ মাংস কাটার সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। বছরের বেশিরভাগ সময় তুলনামূলক অলস থাকলেও ঈদকে ঘিরে তাদের কর্মচাঞ্চল্য কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
স্থানীয় ক্রেতারা জানান, বাজারে নানা ধরনের ছুরি থাকলেও কামারদের তৈরি লোহার দা-বটি বেশি টেকসই হওয়ায় তারা এসব পণ্যই বেশি কিনছেন। তবে এবার দাম কিছুটা বেশি হওয়ায় অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
আরেক ক্রেতা জানান, ঈদের সময় ভিড় এড়াতে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনে নিচ্ছেন তারা।
অন্যদিকে কামাররা বলেন, একটি দা-বটি তৈরি করতে খরচ বেশি হলেও সেই অনুযায়ী দাম পাওয়া যায় না। বিদেশি পণ্যের আগমনে দেশীয় কামার শিল্পের চাহিদা কমে গেছে বলেও তারা জানান। লোহা ও কয়লার দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে।
তবুও ঈদকে কেন্দ্র করে কিছুটা হলেও বিক্রি বাড়ায় স্বস্তি ফিরেছে কামারপল্লীতে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
নাসিরনগর উপজেলাে কোরবানির ঈদকে ঘিরে কামারপল্লীগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। হাতুড়ির টুংটাং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
পবিত্র ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই দা, বটি, চাপাতিসহ মাংস কাটার সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। বছরের বেশিরভাগ সময় তুলনামূলক অলস থাকলেও ঈদকে ঘিরে তাদের কর্মচাঞ্চল্য কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
স্থানীয় ক্রেতারা জানান, বাজারে নানা ধরনের ছুরি থাকলেও কামারদের তৈরি লোহার দা-বটি বেশি টেকসই হওয়ায় তারা এসব পণ্যই বেশি কিনছেন। তবে এবার দাম কিছুটা বেশি হওয়ায় অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
আরেক ক্রেতা জানান, ঈদের সময় ভিড় এড়াতে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনে নিচ্ছেন তারা।
অন্যদিকে কামাররা বলেন, একটি দা-বটি তৈরি করতে খরচ বেশি হলেও সেই অনুযায়ী দাম পাওয়া যায় না। বিদেশি পণ্যের আগমনে দেশীয় কামার শিল্পের চাহিদা কমে গেছে বলেও তারা জানান। লোহা ও কয়লার দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে।
তবুও ঈদকে কেন্দ্র করে কিছুটা হলেও বিক্রি বাড়ায় স্বস্তি ফিরেছে কামারপল্লীতে।
