শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

ইসলাম

ফেরেশতারা নাম লেখেন আগমনের ক্রমানুসারে

জুমার নামাজে আগে গেলে কী সওয়াব পাবেন? জানুন গুরুত্বপূর্ণ হাদিস

জুমার নামাজে আগে গেলে কী সওয়াব পাবেন? জানুন গুরুত্বপূর্ণ হাদিস
ছবি: সংগৃহীত

মুসলমানদের জন্য শুক্রবার (জুমার দিন) সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত। এটি শুধু সাপ্তাহিক ইবাদতের দিনই নয়, বরং আল্লাহর কাছে বিশেষ সম্মানিত একটি দিন।

হাদিস অনুযায়ী, এই দিনে হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এই দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে বলে বর্ণিত আছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত।” (ইবনে মাজাহ)

এই দিনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো জুমার নামাজ আদায় করা। কোরআনে বলা হয়েছে “হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ছেড়ে দাও।” (সুরা জুমা: ৯)

জুমার নামাজের জন্য আগেভাগে মসজিদে যাওয়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। সহিহ হাদিস অনুযায়ী, মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করেন এবং আগমনের ক্রমানুসারে নাম লিখে রাখেন।

হাদিসে বর্ণিত আছে, আগে আগমনকারী ব্যক্তির সওয়াব একটি মোটাতাজা উট কোরবানির সমান, এরপর আগমনকারী গরু, তারপর ছাগল, এরপর মুরগি এবং শেষে ডিম দানকারীর সমান সওয়াব পান। ইমাম খুতবার জন্য বের হলে ফেরেশতারা তালিকা বন্ধ করে দেন। (সহিহ বুখারি)

বিশেষজ্ঞ আলেমরা বলেন, জুমার দিন সময়মতো মসজিদে উপস্থিত হওয়া এবং মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল।

#ইসলামিক_শিক্ষা #জুমারদিন #হাদিস

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬


জুমার নামাজে আগে গেলে কী সওয়াব পাবেন? জানুন গুরুত্বপূর্ণ হাদিস

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image

মুসলমানদের জন্য শুক্রবার (জুমার দিন) সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত। এটি শুধু সাপ্তাহিক ইবাদতের দিনই নয়, বরং আল্লাহর কাছে বিশেষ সম্মানিত একটি দিন।

হাদিস অনুযায়ী, এই দিনে হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এই দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে বলে বর্ণিত আছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত।” (ইবনে মাজাহ)

এই দিনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো জুমার নামাজ আদায় করা। কোরআনে বলা হয়েছে “হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ছেড়ে দাও।” (সুরা জুমা: ৯)

জুমার নামাজের জন্য আগেভাগে মসজিদে যাওয়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। সহিহ হাদিস অনুযায়ী, মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করেন এবং আগমনের ক্রমানুসারে নাম লিখে রাখেন।

হাদিসে বর্ণিত আছে, আগে আগমনকারী ব্যক্তির সওয়াব একটি মোটাতাজা উট কোরবানির সমান, এরপর আগমনকারী গরু, তারপর ছাগল, এরপর মুরগি এবং শেষে ডিম দানকারীর সমান সওয়াব পান। ইমাম খুতবার জন্য বের হলে ফেরেশতারা তালিকা বন্ধ করে দেন। (সহিহ বুখারি)

বিশেষজ্ঞ আলেমরা বলেন, জুমার দিন সময়মতো মসজিদে উপস্থিত হওয়া এবং মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত