সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদারদের ‘চাঁদাবাজ’ এবং বিএনপির কয়েকজন নেতাকে ‘গডফাদার’ আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদার ওয়াহেদ আলী ও জিয়াউর রহমানের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য দেন ইজারাদার জিয়াউর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিআইডব্লিউটিএর কাছ থেকে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজার লঞ্চঘাট থেকে মান্নানঘাট পূর্ব পর্যন্ত এবং ফেনারবাঁক ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকার সুরমা ও বৌলাই নদীর উভয় পাড়ে এলসি ও বার্দিং আদায়ের বৈধ ইজারা তারা পেয়েছেন।
তার দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মেট্রিক টন মালামালের জন্য ৭০ টাকা হারে রসিদের মাধ্যমে তাদের নিযুক্ত কর্মীরা টোল আদায় করছেন। তবে গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুটি সংগঠনের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তাদের ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
জিয়াউর রহমান আরও দাবি করেন, ওই মানববন্ধনের সঙ্গে জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম জড়িয়ে তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা হয়েছে। তিনি এসব বক্তব্যকে মিথ্যা, অপতথ্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
এ সময় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহ মো. শাহজাহান এবং উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুক মিয়া পৃথক বক্তব্যে দাবি করেন, কথিত দুটি সমিতির ব্যানারে ২৭ সেপ্টেম্বরের মানববন্ধন ও মিছিলের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তারা বলেন, ওই কর্মসূচিতে তাদের নাম জড়িয়ে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা মিথ্যা ও বানোয়াট। এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ইজারাদারদের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, বৈধ ইজারা নিয়ে নিয়ম অনুযায়ী টোল আদায় করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে ‘চাঁদাবাজি’র অভিযোগ তোলা হয়েছে। তারা এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বন্ধের আহ্বান জানান।
তবে ২৭ সেপ্টেম্বরের মানববন্ধনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদারদের ‘চাঁদাবাজ’ এবং বিএনপির কয়েকজন নেতাকে ‘গডফাদার’ আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদার ওয়াহেদ আলী ও জিয়াউর রহমানের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য দেন ইজারাদার জিয়াউর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিআইডব্লিউটিএর কাছ থেকে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজার লঞ্চঘাট থেকে মান্নানঘাট পূর্ব পর্যন্ত এবং ফেনারবাঁক ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকার সুরমা ও বৌলাই নদীর উভয় পাড়ে এলসি ও বার্দিং আদায়ের বৈধ ইজারা তারা পেয়েছেন।
তার দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মেট্রিক টন মালামালের জন্য ৭০ টাকা হারে রসিদের মাধ্যমে তাদের নিযুক্ত কর্মীরা টোল আদায় করছেন। তবে গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুটি সংগঠনের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তাদের ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
জিয়াউর রহমান আরও দাবি করেন, ওই মানববন্ধনের সঙ্গে জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম জড়িয়ে তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা হয়েছে। তিনি এসব বক্তব্যকে মিথ্যা, অপতথ্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
এ সময় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহ মো. শাহজাহান এবং উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুক মিয়া পৃথক বক্তব্যে দাবি করেন, কথিত দুটি সমিতির ব্যানারে ২৭ সেপ্টেম্বরের মানববন্ধন ও মিছিলের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তারা বলেন, ওই কর্মসূচিতে তাদের নাম জড়িয়ে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা মিথ্যা ও বানোয়াট। এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ইজারাদারদের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, বৈধ ইজারা নিয়ে নিয়ম অনুযায়ী টোল আদায় করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে ‘চাঁদাবাজি’র অভিযোগ তোলা হয়েছে। তারা এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বন্ধের আহ্বান জানান।
তবে ২৭ সেপ্টেম্বরের মানববন্ধনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
