ইউনিভার্সিটি অব স্কিল এনরিচমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউসেট) বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। গত ২৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
ইউজিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের আগস্টে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার খোর্দ ঘোষপাড়ার প্লট নম্বর ২৯৮-২৯৯-এর সামাদবানু টাওয়ারে অস্থায়ীভাবে সাত বছরের জন্য ইউসেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও পরিচালনার সাময়িক অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
এরপর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে শর্তসাপেক্ষে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়।
তবে বর্তমানে সরকার ও ইউজিসি অনুমোদিত ওই ঠিকানায় বিশ্ববিদ্যালয়টির কোনো কার্যক্রম চলমান নেই। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ঠিকানা বা ভবনে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টির সাময়িক অনুমতির মেয়াদও শেষ হয়েছে। এসব কারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী ইউসেটের ভর্তি ও শিক্ষা-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ফলে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শিক্ষাজীবন ও একাডেমিক কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে ইউজিসির পরবর্তী নির্দেশনার দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
ইউনিভার্সিটি অব স্কিল এনরিচমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউসেট) বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। গত ২৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
ইউজিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের আগস্টে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার খোর্দ ঘোষপাড়ার প্লট নম্বর ২৯৮-২৯৯-এর সামাদবানু টাওয়ারে অস্থায়ীভাবে সাত বছরের জন্য ইউসেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও পরিচালনার সাময়িক অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
এরপর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে শর্তসাপেক্ষে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়।
তবে বর্তমানে সরকার ও ইউজিসি অনুমোদিত ওই ঠিকানায় বিশ্ববিদ্যালয়টির কোনো কার্যক্রম চলমান নেই। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ঠিকানা বা ভবনে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টির সাময়িক অনুমতির মেয়াদও শেষ হয়েছে। এসব কারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী ইউসেটের ভর্তি ও শিক্ষা-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ফলে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শিক্ষাজীবন ও একাডেমিক কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে ইউজিসির পরবর্তী নির্দেশনার দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে।
