মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আমদানি করা সব ধরনের গাড়ি ও ট্রাকের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা ইইউভুক্ত যানবাহনের আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।
শুক্রবার (১ মে) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন। আগামী সপ্তাহ থেকেই নতুন শুল্ক কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে গাড়ি ও ট্রাক উৎপাদন করে, তাহলে তাদের ওপর এই শুল্ক প্রযোজ্য হবে না।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে কারণ হিসেবে তিনি অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তির শর্ত যথাযথভাবে পালন করছে না। যদিও এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইউরোপীয় কমিশন। তাদের মতে, পারস্পরিক লাভজনক ও স্থিতিশীল বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখতেই তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এদিকে জার্মানির গাড়ি শিল্প সংগঠন VDA-এর সভাপতি হিল্ডেগার্ড ম্যুলার উভয় পক্ষকে বিদ্যমান চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, অতিরিক্ত শুল্কের বোঝা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়বে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এমন পদক্ষেপ বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউর মধ্যে পূর্ববর্তী বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী বেশিরভাগ পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারিত ছিল। নতুন ঘোষণায় তা বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হচ্ছে, যা ‘টার্নবেরি অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে পরিচিত চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আমদানি করা সব ধরনের গাড়ি ও ট্রাকের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা ইইউভুক্ত যানবাহনের আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।
শুক্রবার (১ মে) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন। আগামী সপ্তাহ থেকেই নতুন শুল্ক কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে গাড়ি ও ট্রাক উৎপাদন করে, তাহলে তাদের ওপর এই শুল্ক প্রযোজ্য হবে না।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে কারণ হিসেবে তিনি অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তির শর্ত যথাযথভাবে পালন করছে না। যদিও এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইউরোপীয় কমিশন। তাদের মতে, পারস্পরিক লাভজনক ও স্থিতিশীল বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখতেই তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এদিকে জার্মানির গাড়ি শিল্প সংগঠন VDA-এর সভাপতি হিল্ডেগার্ড ম্যুলার উভয় পক্ষকে বিদ্যমান চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, অতিরিক্ত শুল্কের বোঝা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়বে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এমন পদক্ষেপ বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউর মধ্যে পূর্ববর্তী বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী বেশিরভাগ পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারিত ছিল। নতুন ঘোষণায় তা বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হচ্ছে, যা ‘টার্নবেরি অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে পরিচিত চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
