থাইল্যান্ড তার দক্ষিণাঞ্চলীয় রেল নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন এবং মালয়েশিয়া-র সঙ্গে সরাসরি রেল সংযোগ স্থাপনে একটি বড় মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কৌশলপত্র অনুযায়ী, প্রায় ১০০ বিলিয়ন থাই বাথ বা ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপপ্রধানমন্ত্রী ও পরিবহনমন্ত্রী ফিফ্যাট র্যাচেকিটপ্রকারণ।
এই প্রকল্পের আওতায় ডাবল রেল লাইন নির্মাণ ও আধুনিকায়নের কাজ চলতি বছরেই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রকল্প অনুযায়ী, চুম্ফন থেকে সুরাট থানি পর্যন্ত ১৬৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় ধরা হয়েছে। এছাড়া সুরাট থানি থেকে হাট-ইয়াই হয়ে সঙ্খলা পর্যন্ত ৩২০ কিলোমিটার রেলপথ উন্নয়নে ব্যয় হবে প্রায় ২.২৫ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে, হাট-ইয়াই থেকে পাদাং বেসার পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৪ কোটি ডলার, যা সরাসরি থাইল্যান্ডকে মালয়েশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করবে।
এই আন্তঃসীমান্ত সংযোগ স্থাপনে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বন্ধ থাকা সুঙ্গাই কোলোক রানতাও পানজাং রেলপথ পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনেও গতি আসবে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য আরও সম্প্রসারিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
থাইল্যান্ড তার দক্ষিণাঞ্চলীয় রেল নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন এবং মালয়েশিয়া-র সঙ্গে সরাসরি রেল সংযোগ স্থাপনে একটি বড় মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কৌশলপত্র অনুযায়ী, প্রায় ১০০ বিলিয়ন থাই বাথ বা ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপপ্রধানমন্ত্রী ও পরিবহনমন্ত্রী ফিফ্যাট র্যাচেকিটপ্রকারণ।
এই প্রকল্পের আওতায় ডাবল রেল লাইন নির্মাণ ও আধুনিকায়নের কাজ চলতি বছরেই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রকল্প অনুযায়ী, চুম্ফন থেকে সুরাট থানি পর্যন্ত ১৬৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় ধরা হয়েছে। এছাড়া সুরাট থানি থেকে হাট-ইয়াই হয়ে সঙ্খলা পর্যন্ত ৩২০ কিলোমিটার রেলপথ উন্নয়নে ব্যয় হবে প্রায় ২.২৫ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে, হাট-ইয়াই থেকে পাদাং বেসার পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৪ কোটি ডলার, যা সরাসরি থাইল্যান্ডকে মালয়েশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করবে।
এই আন্তঃসীমান্ত সংযোগ স্থাপনে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বন্ধ থাকা সুঙ্গাই কোলোক রানতাও পানজাং রেলপথ পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনেও গতি আসবে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য আরও সম্প্রসারিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
