দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর শতগ্রাম ইউনিয়নের কাশিমনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরকারি ঘর কেনাবেচা, অবৈধ কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দুই দিনের মাথায় তিনি আশ্রয়ণ প্রকল্পে গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের অভিযোগ, সমস্যা ও প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
এ সময় এমপি মনজুরুল ইসলাম সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে বলেন, সরকারি সুবিধাভোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত ঘর কোনোভাবেই কেনাবেচা বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যাবে না। অভিযোগের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশনাও দেন তিনি।
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমা খাতুন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর বর্মন। তারা প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রকল্প-সংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ শোনেন।
এ সময় ৩ নম্বর শতগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কাশিমনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরকারি ঘর কেনাবেচা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সম্প্রতি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রকল্পের প্রকৃত অবস্থা পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর শতগ্রাম ইউনিয়নের কাশিমনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরকারি ঘর কেনাবেচা, অবৈধ কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দুই দিনের মাথায় তিনি আশ্রয়ণ প্রকল্পে গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের অভিযোগ, সমস্যা ও প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
এ সময় এমপি মনজুরুল ইসলাম সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে বলেন, সরকারি সুবিধাভোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত ঘর কোনোভাবেই কেনাবেচা বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যাবে না। অভিযোগের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশনাও দেন তিনি।
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমা খাতুন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর বর্মন। তারা প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রকল্প-সংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ শোনেন।
এ সময় ৩ নম্বর শতগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কাশিমনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরকারি ঘর কেনাবেচা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সম্প্রতি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রকল্পের প্রকৃত অবস্থা পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
