আটোয়ারী উপজেলাতে উৎসবমুখর পরিবেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস। “শ্রমিক-মালিক ঐক্য গড়ি, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন দিনটি উদযাপন করে।
সকাল ১০টায় আটোয়ারী উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন, মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যরা ব্যানার, ফেস্টুন ও লাল পতাকা নিয়ে অংশ নেন। শ্রমিকদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
র্যালি শেষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় তারা ১৮৮৬ সালের হে মার্কেট আন্দোলন-এর শহীদ শ্রমিকদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। শ্রমিক-মালিকের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
আটোয়ারী উপজেলাতে উৎসবমুখর পরিবেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস। “শ্রমিক-মালিক ঐক্য গড়ি, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন দিনটি উদযাপন করে।
সকাল ১০টায় আটোয়ারী উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন, মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যরা ব্যানার, ফেস্টুন ও লাল পতাকা নিয়ে অংশ নেন। শ্রমিকদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
র্যালি শেষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় তারা ১৮৮৬ সালের হে মার্কেট আন্দোলন-এর শহীদ শ্রমিকদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। শ্রমিক-মালিকের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
