ফোন ফেরত চেয়ে চিঠি দেওয়ার একদিন পরই আবার পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ানকে তলব করেছে দেশটির ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ)।
এনসিসিআইএর নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ২ অক্টোবর বেলা ৩টায় লাহোরের সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং সেন্টারে সশরীরে হাজির হতে হবে রিজওয়ানকে। চলমান তদন্তে জব্দ করা তার মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষায় সহযোগিতার জন্য তাকে তলব করা হয়েছে।
এটি হবে এনসিসিআইএর সামনে রিজওয়ানের দ্বিতীয় উপস্থিতি। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।
আদালতে করা আবেদনে রিজওয়ান দাবি করেন, গভীর রাতে তাকে হোটেলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে ফোন নেওয়া হয়। তিন ঘণ্টার মধ্যে ফোন ফেরত দেওয়ার কথা বলা হলেও এক মাস পরও সেটি তার কাছে ফেরত দেওয়া হয়নি।
ফোন ফেরত এবং তদন্তের বিষয়টি স্পষ্ট করার দাবি জানিয়ে নতুন করে এনসিসিআইএকে চিঠি দেন রিজওয়ান। তিনি জানান, এখনো লিখিতভাবে তাকে জানানো হয়নি ঠিক কোন বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।
রিজওয়ানের দাবি, ফোন নেওয়ার সময়ই তিনি পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন এবং তার উপস্থিতিতে কর্মকর্তারা ফোনের বিভিন্ন তথ্য পরীক্ষা করেছিলেন। ১০ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির কার্যালয়ে হাজির হওয়ার সময়ও তার আনলক করা ফোনের বার্তা ও অন্যান্য তথ্য তদন্তকারীরা দেখেছেন বলে তিনি জানান।
পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তদন্তকে অনলাইন বেটিং, জুয়া এবং পাকিস্তান দলের ড্রেসিংরুম থেকে তথ্য ফাঁসের অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। একই তদন্তে পাকিস্তানের ক্রিকেটার ইমাম-উল-হকের ফোনও জব্দ করা হয়েছিল।
তবে এখন পর্যন্ত রিজওয়ান বা ইমামের বিরুদ্ধে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কিংবা অপরাধ প্রমাণের ঘোষণা দেয়নি এনসিসিআইএ।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফোন ফেরত চেয়ে চিঠি দেওয়ার একদিন পরই আবার পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ানকে তলব করেছে দেশটির ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ)।
এনসিসিআইএর নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ২ অক্টোবর বেলা ৩টায় লাহোরের সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং সেন্টারে সশরীরে হাজির হতে হবে রিজওয়ানকে। চলমান তদন্তে জব্দ করা তার মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষায় সহযোগিতার জন্য তাকে তলব করা হয়েছে।
এটি হবে এনসিসিআইএর সামনে রিজওয়ানের দ্বিতীয় উপস্থিতি। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।
আদালতে করা আবেদনে রিজওয়ান দাবি করেন, গভীর রাতে তাকে হোটেলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে ফোন নেওয়া হয়। তিন ঘণ্টার মধ্যে ফোন ফেরত দেওয়ার কথা বলা হলেও এক মাস পরও সেটি তার কাছে ফেরত দেওয়া হয়নি।
ফোন ফেরত এবং তদন্তের বিষয়টি স্পষ্ট করার দাবি জানিয়ে নতুন করে এনসিসিআইএকে চিঠি দেন রিজওয়ান। তিনি জানান, এখনো লিখিতভাবে তাকে জানানো হয়নি ঠিক কোন বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।
রিজওয়ানের দাবি, ফোন নেওয়ার সময়ই তিনি পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন এবং তার উপস্থিতিতে কর্মকর্তারা ফোনের বিভিন্ন তথ্য পরীক্ষা করেছিলেন। ১০ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির কার্যালয়ে হাজির হওয়ার সময়ও তার আনলক করা ফোনের বার্তা ও অন্যান্য তথ্য তদন্তকারীরা দেখেছেন বলে তিনি জানান।
পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তদন্তকে অনলাইন বেটিং, জুয়া এবং পাকিস্তান দলের ড্রেসিংরুম থেকে তথ্য ফাঁসের অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। একই তদন্তে পাকিস্তানের ক্রিকেটার ইমাম-উল-হকের ফোনও জব্দ করা হয়েছিল।
তবে এখন পর্যন্ত রিজওয়ান বা ইমামের বিরুদ্ধে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কিংবা অপরাধ প্রমাণের ঘোষণা দেয়নি এনসিসিআইএ।
