যশোরের অভয়নগরে বেওয়ারিশ কুকুরের ক্রমবর্ধমান উপদ্রব ও কামড়ের ঘটনায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে পৃথক দুটি আবেদন জমা দিয়েছে ‘অভয়নগর নাগরিক পরিষদ’।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি আবেদন নওয়াপাড়া পৌরসভার প্রশাসকের কাছে এবং অপর একটি আবেদন অভয়নগর উপজেলা প্রশাসকের নিকট জমা দেওয়া হয়।
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এস এম খায়রুল বাসার, প্রধান উপদেষ্টা ও সমাজসেবক শাহ জালাল হোসেন, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম মল্লিক, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মুজিবর রহমান, অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ, সাংবাদিক সুনীল কুমার দাসসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দলবদ্ধ কুকুরের আক্রমণের কারণে পথচারী, বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পাশাপাশি রাতের বেলায় কুকুরের উৎপাত এবং যত্রতত্র মলমূত্রের কারণে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সংগঠনের দেওয়া তথ্যমতে, অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত কুকুর ও অন্যান্য প্রাণীর কামড়ে আক্রান্তদের মোট ১ হাজার ৭৯৫ ডোজ ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে। প্রতি মাসে গড়ে ৮২ থেকে ১০০ জন আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসাসেবা দিতে হচ্ছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে।
এ সমস্যা সমাধানে চার দফা দাবি উত্থাপন করেছে অভয়নগর নাগরিক পরিষদ। দাবিগুলো হলো-বেওয়ারিশ কুকুরের টিকাদান ও নির্বীজকরণ কর্মসূচি চালু করা, আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন, উন্মুক্ত খাদ্যবর্জ্য অপসারণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।
সংগঠনের নেতারা বলেন, এটি শুধু জনস্বাস্থ্যের বিষয় নয়, বরং নাগরিক নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তাদের মতে, সময়োপযোগী উদ্যোগ নেওয়া না হলে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
যশোরের অভয়নগরে বেওয়ারিশ কুকুরের ক্রমবর্ধমান উপদ্রব ও কামড়ের ঘটনায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে পৃথক দুটি আবেদন জমা দিয়েছে ‘অভয়নগর নাগরিক পরিষদ’।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি আবেদন নওয়াপাড়া পৌরসভার প্রশাসকের কাছে এবং অপর একটি আবেদন অভয়নগর উপজেলা প্রশাসকের নিকট জমা দেওয়া হয়।
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এস এম খায়রুল বাসার, প্রধান উপদেষ্টা ও সমাজসেবক শাহ জালাল হোসেন, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম মল্লিক, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মুজিবর রহমান, অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ, সাংবাদিক সুনীল কুমার দাসসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দলবদ্ধ কুকুরের আক্রমণের কারণে পথচারী, বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পাশাপাশি রাতের বেলায় কুকুরের উৎপাত এবং যত্রতত্র মলমূত্রের কারণে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সংগঠনের দেওয়া তথ্যমতে, অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত কুকুর ও অন্যান্য প্রাণীর কামড়ে আক্রান্তদের মোট ১ হাজার ৭৯৫ ডোজ ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে। প্রতি মাসে গড়ে ৮২ থেকে ১০০ জন আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসাসেবা দিতে হচ্ছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে।
এ সমস্যা সমাধানে চার দফা দাবি উত্থাপন করেছে অভয়নগর নাগরিক পরিষদ। দাবিগুলো হলো-বেওয়ারিশ কুকুরের টিকাদান ও নির্বীজকরণ কর্মসূচি চালু করা, আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন, উন্মুক্ত খাদ্যবর্জ্য অপসারণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।
সংগঠনের নেতারা বলেন, এটি শুধু জনস্বাস্থ্যের বিষয় নয়, বরং নাগরিক নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তাদের মতে, সময়োপযোগী উদ্যোগ নেওয়া না হলে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
