হবিগঞ্জে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৫) বিজিবির একাধিক অভিযানে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এসব পণ্য আটক করা হয়।
গতকাল( ২৬ ডিসেম্বর) শুক্রবার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সাতছড়ি, তেলিয়াপাড়া সড়কে সীমান্ত থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার ভেতরে বিশেষ টহল পরিচালনা করে বিজিবি। এ সময় একটি মিনিট্রাক ও একটি মিনি কাভার্ডভ্যান তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস ও অবৈধ ওষুধ জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে, বডি লোশন, ফেসওয়াশ, ফেস পাউডার ও নিম্নমানের ফর্সাকারী ক্রীম। এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ১৪ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি বিওপি এলাকায় পৃথক অভিযানে একটি ভারতীয় গরু, একটি ওয়াকিটকি সেট এবং একটি দেশীয় অস্ত্র, হাসুয়া জব্দ করা হয়। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। এসবের আনুমানিক মূল্য ৭৩ হাজার ৮৫০ টাকা।
জব্দকৃত পণ্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় হবিগঞ্জ কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে চোরাচালানে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
হবিগঞ্জে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৫) বিজিবির একাধিক অভিযানে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এসব পণ্য আটক করা হয়।
গতকাল( ২৬ ডিসেম্বর) শুক্রবার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সাতছড়ি, তেলিয়াপাড়া সড়কে সীমান্ত থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার ভেতরে বিশেষ টহল পরিচালনা করে বিজিবি। এ সময় একটি মিনিট্রাক ও একটি মিনি কাভার্ডভ্যান তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস ও অবৈধ ওষুধ জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে, বডি লোশন, ফেসওয়াশ, ফেস পাউডার ও নিম্নমানের ফর্সাকারী ক্রীম। এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ১৪ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি বিওপি এলাকায় পৃথক অভিযানে একটি ভারতীয় গরু, একটি ওয়াকিটকি সেট এবং একটি দেশীয় অস্ত্র, হাসুয়া জব্দ করা হয়। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। এসবের আনুমানিক মূল্য ৭৩ হাজার ৮৫০ টাকা।
জব্দকৃত পণ্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় হবিগঞ্জ কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে চোরাচালানে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
