চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

হবিগঞ্জে অর্ধলক্ষাধিক অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
হবিগঞ্জে অর্ধলক্ষাধিক অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা

হবিগঞ্জ শহরজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অর্ধলক্ষাধিক ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক ও টমটম। অনুমোদিত সংখ্যা মাত্র ১ হাজার ২০০ হলেও বাস্তবে এই সংখ্যা ৫০-৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সিটি কর্পোরেশনের হিসাবে শহরে মাত্র ১ হাজার ২০০টি অটোরিকশা অনুমোদন পেয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার অটোরিকশা চলাচল করছে। এসব যানবাহনের নেই ট্যাক্স, নেই লাইসেন্স, নেই কোনো নীতিমালা। ফলে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা, প্রাণহানি ও ট্রাফিক বিশৃঙ্খলা।

হাজার হাজার অবৈধ চার্জিং পয়েন্টে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে এসব ইজিবাইক চার্জ হচ্ছে। এতে একদিকে হচ্ছে বিদ্যুৎ চুরি, অন্যদিকে বাড়ছে লোডশেডিং। ফলে ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

নিষিদ্ধ এ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে মাঝে মধ্যে অভিযান চালালেও তা দায়সারা পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। ধরা পড়া যানবাহন কয়েক দিনের মধ্যেই জরিমানা দিয়ে ছাড়া পেয়ে আবার রাস্তায় নেমে আসছে। সচেতন মহল বলছে, পুলিশ চাইলে একদিনেই এসব যান চলাচল বন্ধ করতে পারত। কিন্তু সদিচ্ছার অভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও টমটমের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও হবিগঞ্জে তা কার্যকর হয়নি। প্রশাসনের নীরব ভূমিকার কারণে এ যানবাহন এখন শহরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলি-গলিতেও দাপটের সঙ্গে চলছে।

সুশীল সমাজের নেতারা বলছেন, প্রতিটি যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ও ট্যাক্স বাধ্যতামূলক করতে হবে চালকদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স দিতে হবে। মূল সড়কে এদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সঠিক নীতিমালার আওতায় আনলে সরকার ও সিটি কর্পোরেশন প্রতি বছর বিপুল রাজস্ব আয় করতে পারবে।

অবৈধ অটোরিকশা-ইজিবাইকের দৌরাত্ম্যে শহরজুড়ে বাড়ছে বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও বিদ্যুৎ সংকট। তাই প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় বলে অভিমত দিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


হবিগঞ্জে অর্ধলক্ষাধিক অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

হবিগঞ্জ শহরজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অর্ধলক্ষাধিক ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক ও টমটম। অনুমোদিত সংখ্যা মাত্র ১ হাজার ২০০ হলেও বাস্তবে এই সংখ্যা ৫০-৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সিটি কর্পোরেশনের হিসাবে শহরে মাত্র ১ হাজার ২০০টি অটোরিকশা অনুমোদন পেয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার অটোরিকশা চলাচল করছে। এসব যানবাহনের নেই ট্যাক্স, নেই লাইসেন্স, নেই কোনো নীতিমালা। ফলে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা, প্রাণহানি ও ট্রাফিক বিশৃঙ্খলা।

হাজার হাজার অবৈধ চার্জিং পয়েন্টে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে এসব ইজিবাইক চার্জ হচ্ছে। এতে একদিকে হচ্ছে বিদ্যুৎ চুরি, অন্যদিকে বাড়ছে লোডশেডিং। ফলে ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

নিষিদ্ধ এ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে মাঝে মধ্যে অভিযান চালালেও তা দায়সারা পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। ধরা পড়া যানবাহন কয়েক দিনের মধ্যেই জরিমানা দিয়ে ছাড়া পেয়ে আবার রাস্তায় নেমে আসছে। সচেতন মহল বলছে, পুলিশ চাইলে একদিনেই এসব যান চলাচল বন্ধ করতে পারত। কিন্তু সদিচ্ছার অভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও টমটমের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও হবিগঞ্জে তা কার্যকর হয়নি। প্রশাসনের নীরব ভূমিকার কারণে এ যানবাহন এখন শহরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলি-গলিতেও দাপটের সঙ্গে চলছে।

সুশীল সমাজের নেতারা বলছেন, প্রতিটি যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ও ট্যাক্স বাধ্যতামূলক করতে হবে চালকদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স দিতে হবে। মূল সড়কে এদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সঠিক নীতিমালার আওতায় আনলে সরকার ও সিটি কর্পোরেশন প্রতি বছর বিপুল রাজস্ব আয় করতে পারবে।

অবৈধ অটোরিকশা-ইজিবাইকের দৌরাত্ম্যে শহরজুড়ে বাড়ছে বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও বিদ্যুৎ সংকট। তাই প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় বলে অভিমত দিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত