চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

হবিগঞ্জের লস্করপুড়ে অবৈধভাবে নদীর বাঁধ কেটে মাটি বিক্রি, হুমকিতে গ্রাম ও সড়ক

প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
হবিগঞ্জের লস্করপুড়ে অবৈধভাবে নদীর বাঁধ কেটে মাটি বিক্রি, হুমকিতে গ্রাম ও সড়ক

হবিগঞ্জের লস্করপুর এলাকায় রেল ব্রিজের পাশ থেকে অবৈধভাবে নদীর বাঁধ কেটে মাটি উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এখলাছ, রুমান ও মিলাদ নামের তিন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে এ অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, মাটি নেওয়ার জন্য নদীর বাঁধ কেটে গর্ত করা হচ্ছে। এতে একদিকে নদী ভাঙনের আশঙ্কা বাড়ছে, অন্যদিকে গ্রামের রাস্তাঘাট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিদিন রাত ৩টা থেকে ভোর ৭টা পর্যন্ত ট্রাক্টর দিয়ে লাগাতার মাটি পরিবহন করা হয়, যার ফলে এলজিডির গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ভেঙে বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে।

গ্রামবাসীরা বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় তারা প্রকাশ্যেই এসব অবৈধ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগে নদীর বাঁধ দিয়েই মাটি নেওয়া হলেও বর্তমানে রেললাইনে ব্যারিকেড দেওয়ায় লস্করপুর সাহেববাড়ি সড়ক ব্যবহার করে মাটি পরিবহন করা হচ্ছে। এতে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এলাকাবাসীরা আরও বলেন, নদীর বাঁধ কেটে মাটি নেওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়লেই নদী ভাঙনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তখন নিজেদের নিরাপত্তায় গ্রামবাসীকে রাতভর পাহারা দিতে হয়।

এ অবস্থায় অবৈধ মাটি উত্তোলন বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ ও নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


হবিগঞ্জের লস্করপুড়ে অবৈধভাবে নদীর বাঁধ কেটে মাটি বিক্রি, হুমকিতে গ্রাম ও সড়ক

প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

হবিগঞ্জের লস্করপুর এলাকায় রেল ব্রিজের পাশ থেকে অবৈধভাবে নদীর বাঁধ কেটে মাটি উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এখলাছ, রুমান ও মিলাদ নামের তিন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে এ অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, মাটি নেওয়ার জন্য নদীর বাঁধ কেটে গর্ত করা হচ্ছে। এতে একদিকে নদী ভাঙনের আশঙ্কা বাড়ছে, অন্যদিকে গ্রামের রাস্তাঘাট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিদিন রাত ৩টা থেকে ভোর ৭টা পর্যন্ত ট্রাক্টর দিয়ে লাগাতার মাটি পরিবহন করা হয়, যার ফলে এলজিডির গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ভেঙে বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে।

গ্রামবাসীরা বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় তারা প্রকাশ্যেই এসব অবৈধ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগে নদীর বাঁধ দিয়েই মাটি নেওয়া হলেও বর্তমানে রেললাইনে ব্যারিকেড দেওয়ায় লস্করপুর সাহেববাড়ি সড়ক ব্যবহার করে মাটি পরিবহন করা হচ্ছে। এতে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এলাকাবাসীরা আরও বলেন, নদীর বাঁধ কেটে মাটি নেওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়লেই নদী ভাঙনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তখন নিজেদের নিরাপত্তায় গ্রামবাসীকে রাতভর পাহারা দিতে হয়।

এ অবস্থায় অবৈধ মাটি উত্তোলন বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ ও নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত