আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গণভোট। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের পক্ষে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ক্যাম্পেইন করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় সৈয়দপুর শহরের পাঁচমাথা মোড়ে পুলিশ বক্সের সামনে থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দোকানদার, পথচারী ও যানবাহন চালকদের মাঝে প্রচারপত্র (হ্যান্ডবিল) বিতরণ করা হয়।
জেলা মুখ্য সমন্বয়ক একরামুল হক বিজয়ের নেতৃত্বে আয়োজিত এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার ছাত্র প্রতিনিধি এহসানুল হক সানি, রেড জুলাইয়ের আহ্বায়ক আলিফ তাহা, সদস্য সচিব তাহা, সারা খাতুনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
কর্মসূচির উদ্বোধনী বক্তব্যে আয়োজকরা জানান, নতুন বাংলাদেশ গড়তে রাষ্ট্র কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা তৈরি হতে না পারে, সেজন্য নীতিমালা প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে এই গণভোটকে তারা একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তারা জানান, জাতীয় ভোটের দিন ভোটারদের দুটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে, একটি সাদা রঙের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং অপরটি হলুদ রঙের গণভোটের জন্য। হলুদ ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের অপশন থাকবে। জুলাই সনদের আলোকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ পরিচালনার প্রস্তাবে একমত হলে ‘হ্যাঁ’ চিহ্নে সিল দিতে হবে। তবে অনেক ভোটার বিষয়টি এখনও পরিষ্কারভাবে বুঝে উঠতে পারছেন না। এ কারণেই এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে বলে জানান আয়োজকরা।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত প্রচারপত্র অনুযায়ী, গণভোটে ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ এবং সনদে অন্তর্ভুক্ত সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোর প্রতি তারা সম্মতি জানান কি না (হ্যাঁ/না)।
প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠনের নতুন কাঠামো, দুই কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা, নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নির্ধারণসহ মোট ৩০টি বিষয়ে সংস্কার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার।
এইসব প্রস্তাবনার বিষয়ে আরও ব্যাপক জনসংযোগ কার্যক্রম প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় চালানো হবে বলেও জানান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গণভোট। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের পক্ষে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ক্যাম্পেইন করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় সৈয়দপুর শহরের পাঁচমাথা মোড়ে পুলিশ বক্সের সামনে থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দোকানদার, পথচারী ও যানবাহন চালকদের মাঝে প্রচারপত্র (হ্যান্ডবিল) বিতরণ করা হয়।
জেলা মুখ্য সমন্বয়ক একরামুল হক বিজয়ের নেতৃত্বে আয়োজিত এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার ছাত্র প্রতিনিধি এহসানুল হক সানি, রেড জুলাইয়ের আহ্বায়ক আলিফ তাহা, সদস্য সচিব তাহা, সারা খাতুনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
কর্মসূচির উদ্বোধনী বক্তব্যে আয়োজকরা জানান, নতুন বাংলাদেশ গড়তে রাষ্ট্র কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা তৈরি হতে না পারে, সেজন্য নীতিমালা প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে এই গণভোটকে তারা একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তারা জানান, জাতীয় ভোটের দিন ভোটারদের দুটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে, একটি সাদা রঙের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং অপরটি হলুদ রঙের গণভোটের জন্য। হলুদ ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের অপশন থাকবে। জুলাই সনদের আলোকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ পরিচালনার প্রস্তাবে একমত হলে ‘হ্যাঁ’ চিহ্নে সিল দিতে হবে। তবে অনেক ভোটার বিষয়টি এখনও পরিষ্কারভাবে বুঝে উঠতে পারছেন না। এ কারণেই এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে বলে জানান আয়োজকরা।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত প্রচারপত্র অনুযায়ী, গণভোটে ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ এবং সনদে অন্তর্ভুক্ত সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোর প্রতি তারা সম্মতি জানান কি না (হ্যাঁ/না)।
প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠনের নতুন কাঠামো, দুই কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা, নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নির্ধারণসহ মোট ৩০টি বিষয়ে সংস্কার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার।
এইসব প্রস্তাবনার বিষয়ে আরও ব্যাপক জনসংযোগ কার্যক্রম প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় চালানো হবে বলেও জানান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।
