সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার উত্তর কাপনা গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রোশনারা বেগম হত্যার ঘটনায় আদালত একজন ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড এবং তার মা শমলা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আরাধন (৩২) মৌয়াফুড়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। একই রায়ে আদালত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম আদালত) তেহসিন ইফতেখার বুধবার বিকালে রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী।
আদালতের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২১ জানুয়ারি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আসামীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ করতে আসে। বাধা দিলে আরাধন রোশনারা বেগমের ঘাড়ে কোপ দেয়, যা ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটায়।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৫
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার উত্তর কাপনা গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রোশনারা বেগম হত্যার ঘটনায় আদালত একজন ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড এবং তার মা শমলা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আরাধন (৩২) মৌয়াফুড়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। একই রায়ে আদালত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম আদালত) তেহসিন ইফতেখার বুধবার বিকালে রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী।
আদালতের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২১ জানুয়ারি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আসামীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ করতে আসে। বাধা দিলে আরাধন রোশনারা বেগমের ঘাড়ে কোপ দেয়, যা ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটায়।
