সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সামাদ মুন্সীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বী অপর দুই প্রার্থী।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় শহরের মুক্তারপাড়ায় একটি অফিসে সংবাদ সম্মেলন করেন তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হাজী শামসুল হক ও উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি কামাল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, সামাদ মুন্সী আওয়ামী লীগের আমলে স্থানীয় এমপি রতনের আশ্রয়ে অবৈধ কয়লা ব্যবসা ও নানা লুটপাটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তাদের দাবি, সামাদ ভারত থেকে কয়লা এনে রাতে মজুত করে দিনে বিক্রি করতেন এবং এই অবৈধ আয় দিয়ে সুনামগঞ্জ ও সিলেটে বিপুল পরিমাণ সম্পদ কিনেছেন।
তাদের অভিযোগ, বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়ে সামাদ মুন্সী ভোটারদের মাঝে বিপুল অর্থ বিতরণ করছেন। এছাড়া এমপি রতন ও আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় বিএনপির অন্তত আটজন নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় জেল খাটাতে বাধ্য করেছেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে হাজী শামসুল হক ও কামাল হোসেন বলেন, “একজন বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে জায়গা দেওয়া হলে সংগঠনের ক্ষতি হবে।” তাই তারা সামাদ মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবি জানান।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৫
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সামাদ মুন্সীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বী অপর দুই প্রার্থী।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় শহরের মুক্তারপাড়ায় একটি অফিসে সংবাদ সম্মেলন করেন তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হাজী শামসুল হক ও উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি কামাল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, সামাদ মুন্সী আওয়ামী লীগের আমলে স্থানীয় এমপি রতনের আশ্রয়ে অবৈধ কয়লা ব্যবসা ও নানা লুটপাটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তাদের দাবি, সামাদ ভারত থেকে কয়লা এনে রাতে মজুত করে দিনে বিক্রি করতেন এবং এই অবৈধ আয় দিয়ে সুনামগঞ্জ ও সিলেটে বিপুল পরিমাণ সম্পদ কিনেছেন।
তাদের অভিযোগ, বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়ে সামাদ মুন্সী ভোটারদের মাঝে বিপুল অর্থ বিতরণ করছেন। এছাড়া এমপি রতন ও আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় বিএনপির অন্তত আটজন নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় জেল খাটাতে বাধ্য করেছেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে হাজী শামসুল হক ও কামাল হোসেন বলেন, “একজন বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে জায়গা দেওয়া হলে সংগঠনের ক্ষতি হবে।” তাই তারা সামাদ মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবি জানান।
