সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের কামরূপদলং গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরূপদলং গ্রামের শের আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন ও একই গ্রামের মৃত মফিজ আলীর ছেলে হাসনাত মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। পূর্ব শত্রুতার জেরে জুমার নামাজের পর উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
সংঘর্ষে আনোয়ার পক্ষের আহতরা হলেন— আনোয়ার হোসেন (৪৫), দুদু মিয়া (৬০), গুলনাহার (৪০), সোনিয়া বেগম (২০), মাসুমা বেগম (১৭), রায়হানা বেগম (৪৫), দিলারা বেগম (৬০), ইয়াহিয়া (৩০), সালেহ আহমদ (৪০), নামজুল (১৮), মুজাহিদ মিয়া (৩৮), আলী আহমদ, শামীম আহমদ, ফয়জুন নুর (৩০) ও জুনায়েদ আহমদ (৩৩)।
আহতদের প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর আহত দুদু মিয়া, সোনিয়া, গুলনাহার ও মাসুমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে প্রতিপক্ষ হাসনাত মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি বর্তমানে সিলেটে অবস্থান করছেন এবং সংঘর্ষের খবর শুনেছেন।
খবর পেয়ে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৫
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের কামরূপদলং গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরূপদলং গ্রামের শের আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন ও একই গ্রামের মৃত মফিজ আলীর ছেলে হাসনাত মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। পূর্ব শত্রুতার জেরে জুমার নামাজের পর উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
সংঘর্ষে আনোয়ার পক্ষের আহতরা হলেন— আনোয়ার হোসেন (৪৫), দুদু মিয়া (৬০), গুলনাহার (৪০), সোনিয়া বেগম (২০), মাসুমা বেগম (১৭), রায়হানা বেগম (৪৫), দিলারা বেগম (৬০), ইয়াহিয়া (৩০), সালেহ আহমদ (৪০), নামজুল (১৮), মুজাহিদ মিয়া (৩৮), আলী আহমদ, শামীম আহমদ, ফয়জুন নুর (৩০) ও জুনায়েদ আহমদ (৩৩)।
আহতদের প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর আহত দুদু মিয়া, সোনিয়া, গুলনাহার ও মাসুমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে প্রতিপক্ষ হাসনাত মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি বর্তমানে সিলেটে অবস্থান করছেন এবং সংঘর্ষের খবর শুনেছেন।
খবর পেয়ে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
