হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, চারজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আদালতে মামলা দায়ের করেছে।
২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে হবিগঞ্জ আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশন, হবিগঞ্জ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
মামলার আসামিরা হলেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুশফিউল আলম আজাদ, বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোকন চন্দ্র গোপ, করাব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস, মুড়িয়াউক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মিয়া, বামৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন ফুরুক এবং সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আলী নুর।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে লাখাই উপজেলার করাব, বুল্লা, বামৈ ও মুড়িয়াউক ইউনিয়নে কাবিখা কর্মসূচির আওতায় ৮টি গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে এসব প্রকল্পের কোনো কাজ না করে পরস্পর যোগসাজশে প্রায় ৩৪ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী মুড়িয়াউক ইউনিয়নের ২টি রাস্তায় ১২ লাখ ৪০০ টাকা, বুল্লা ইউনিয়নের ২টি রাস্তায় ৮ লাখ ৮৭ হাজার ৮৪৭ টাকা, করাব ইউনিয়নের ২টি রাস্তায় ৮ লাখ ২০ হাজার ৬৯৪ টাকা এবং বামৈ ইউনিয়নের ২টি রাস্তায় ৫ লাখ ২৬ হাজার ২৫৮ টাকার কাজ না করেই সমুদয় অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।
এ বিষয়ে বামৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন ফুরুক বলেন, “আমি এই প্রকল্পে কোনো অনিয়ম বা অর্থ আত্মসাৎ করিনি। তদন্তে যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে অর্থ ফেরত দিতে প্রস্তুত আছি।”
বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোকন চন্দ্র গোপ বলেন, “আমি যথাযথভাবে কাজ করেছি। কোনো অনিয়ম হয়নি। তবে কাজের পর বন্যার কারণে রাস্তায় ক্ষতি হওয়ায় কাজ কম দেখা যেতে পারে।”
সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আলী নুর বলেন, “দুই বছর পর মাটির রাস্তা পরিমাপ করলে মাটি কম দেখা যাওয়াই স্বাভাবিক।”
এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন হবিগঞ্জ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, চারজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আদালতে মামলা দায়ের করেছে।
২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে হবিগঞ্জ আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশন, হবিগঞ্জ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
মামলার আসামিরা হলেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুশফিউল আলম আজাদ, বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোকন চন্দ্র গোপ, করাব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস, মুড়িয়াউক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মিয়া, বামৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন ফুরুক এবং সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আলী নুর।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে লাখাই উপজেলার করাব, বুল্লা, বামৈ ও মুড়িয়াউক ইউনিয়নে কাবিখা কর্মসূচির আওতায় ৮টি গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে এসব প্রকল্পের কোনো কাজ না করে পরস্পর যোগসাজশে প্রায় ৩৪ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী মুড়িয়াউক ইউনিয়নের ২টি রাস্তায় ১২ লাখ ৪০০ টাকা, বুল্লা ইউনিয়নের ২টি রাস্তায় ৮ লাখ ৮৭ হাজার ৮৪৭ টাকা, করাব ইউনিয়নের ২টি রাস্তায় ৮ লাখ ২০ হাজার ৬৯৪ টাকা এবং বামৈ ইউনিয়নের ২টি রাস্তায় ৫ লাখ ২৬ হাজার ২৫৮ টাকার কাজ না করেই সমুদয় অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।
এ বিষয়ে বামৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন ফুরুক বলেন, “আমি এই প্রকল্পে কোনো অনিয়ম বা অর্থ আত্মসাৎ করিনি। তদন্তে যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে অর্থ ফেরত দিতে প্রস্তুত আছি।”
বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোকন চন্দ্র গোপ বলেন, “আমি যথাযথভাবে কাজ করেছি। কোনো অনিয়ম হয়নি। তবে কাজের পর বন্যার কারণে রাস্তায় ক্ষতি হওয়ায় কাজ কম দেখা যেতে পারে।”
সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আলী নুর বলেন, “দুই বছর পর মাটির রাস্তা পরিমাপ করলে মাটি কম দেখা যাওয়াই স্বাভাবিক।”
এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন হবিগঞ্জ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
