চেক পোস্ট

মূল পাতা

শিক্ষা

সাংবাদিকদের হামলায় বিচারসহ দুই দাবিতে ইবি বৈছাআ’র মানববন্ধন

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
সাংবাদিকদের হামলায় বিচারসহ দুই দাবিতে ইবি বৈছাআ’র মানববন্ধন
  প্রক্টর, সাংবাদিকদের হামলার প্রতিবাদে এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিএইচএম) বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো: শরিফুল ইসলামকে অপহরণের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের সহিত বিচারের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মানববন্ধন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ) শাখা। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন। এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘শিক্ষকের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সাংবাদিকদের হেনস্থা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে শিক্ষক অপহরণের শাস্তি চাই’সহ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ২ দাবি উল্লেখ করেন- প্রক্টর, সাংবাদিকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার এবং টিএইচএম বিভাগের সভাপতিকে অপহরণের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ছাত্রদল ৫ আগস্টের পর থেকে শিক্ষার্থী বা জনকল্যাণে কোনো কাজ করেনি। তারা নিয়োগ বাণিজ্য করার জন্যই গতদিন টিএইচএম বিভাগের সভাপতিকে অপহরণ করেছে। আমরা আশা করেছিলাম তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতি করবে কিন্তু তারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করে যাচ্ছে। গতদিন শেরপুরে রাজনৈতিক নেতা প্রতিপক্ষকে হত্যা করে প্রমাণ করেছে তারা সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি করতে চায় না। ইবি বৈছাআ’র সদস্য সচিব ইয়াশিরুল কবির সৌরভ বলেন, “আমরা গত ১৭ বছর শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। ৫ই আগস্টের পর আমরা ভেবেছিলাম শিক্ষার অধিকার ফিরে পাব কিন্তু একটি কুচক্রি মহলের কারণে শিক্ষক রাজনীতি ও শিক্ষার অধিকারহরণ করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, ”আমরা দেখতেছি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। তারা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থেকে কি ধরণের শিক্ষাদান করতেছে তা আমরা বুঝতেছি। গতকাল আন্দোলন চালিয়ে না গেলে টিএইচএম বিভাগের সভাপতিকে আমরা ফিরে পেতাম না।” ইবি বৈছাআ’র আহ্বায়ক এস এম সুইট বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলা তাদের ক্ষোভের একটি বহিঃপ্রকাশ। শুধু ক্যাম্পাসের ভিতরেই নয় শিক্ষার্থীরা কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহসহ যেসব জায়গায় বসবাস করে সকল জায়গায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যদি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থ হন তবে দ্বায় নিয়ে দায়িত্ব থেকে সরে যান।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমাদের আন্দোলন শুধু ৩৬ দিনেরই নয়। এর আগেও আমরা স্বৈরাচারদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। শিক্ষার্থীরা যেমন একটি অভ্যুত্থান সংঘটিত করেছে তেমনি আরেকটি অভ্যুত্থান সংঘটিত করতেও সময় লাগবে না। আপনারা আমাদের ১২ তারিখের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আমরা আরেকটি ৫ আগস্ট আনারও সক্ষমতা রাখি।” উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইবির টিএইচএম বিভাগের সভাপতি মো: শরিফুল ইসলামকে সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে আনা হলে শিক্ষার্থীরা হাতাহাতিতে জড়ায়। এতে প্রক্টরিয়াল বডির বিভিন্ন সদস্য ও সাংবাদিকরাও আহত হন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


সাংবাদিকদের হামলায় বিচারসহ দুই দাবিতে ইবি বৈছাআ’র মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
  প্রক্টর, সাংবাদিকদের হামলার প্রতিবাদে এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিএইচএম) বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো: শরিফুল ইসলামকে অপহরণের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের সহিত বিচারের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মানববন্ধন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ) শাখা। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন। এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘শিক্ষকের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সাংবাদিকদের হেনস্থা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে শিক্ষক অপহরণের শাস্তি চাই’সহ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ২ দাবি উল্লেখ করেন- প্রক্টর, সাংবাদিকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার এবং টিএইচএম বিভাগের সভাপতিকে অপহরণের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ছাত্রদল ৫ আগস্টের পর থেকে শিক্ষার্থী বা জনকল্যাণে কোনো কাজ করেনি। তারা নিয়োগ বাণিজ্য করার জন্যই গতদিন টিএইচএম বিভাগের সভাপতিকে অপহরণ করেছে। আমরা আশা করেছিলাম তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতি করবে কিন্তু তারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করে যাচ্ছে। গতদিন শেরপুরে রাজনৈতিক নেতা প্রতিপক্ষকে হত্যা করে প্রমাণ করেছে তারা সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি করতে চায় না। ইবি বৈছাআ’র সদস্য সচিব ইয়াশিরুল কবির সৌরভ বলেন, “আমরা গত ১৭ বছর শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। ৫ই আগস্টের পর আমরা ভেবেছিলাম শিক্ষার অধিকার ফিরে পাব কিন্তু একটি কুচক্রি মহলের কারণে শিক্ষক রাজনীতি ও শিক্ষার অধিকারহরণ করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, ”আমরা দেখতেছি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। তারা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থেকে কি ধরণের শিক্ষাদান করতেছে তা আমরা বুঝতেছি। গতকাল আন্দোলন চালিয়ে না গেলে টিএইচএম বিভাগের সভাপতিকে আমরা ফিরে পেতাম না।” ইবি বৈছাআ’র আহ্বায়ক এস এম সুইট বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলা তাদের ক্ষোভের একটি বহিঃপ্রকাশ। শুধু ক্যাম্পাসের ভিতরেই নয় শিক্ষার্থীরা কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহসহ যেসব জায়গায় বসবাস করে সকল জায়গায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যদি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থ হন তবে দ্বায় নিয়ে দায়িত্ব থেকে সরে যান।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমাদের আন্দোলন শুধু ৩৬ দিনেরই নয়। এর আগেও আমরা স্বৈরাচারদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। শিক্ষার্থীরা যেমন একটি অভ্যুত্থান সংঘটিত করেছে তেমনি আরেকটি অভ্যুত্থান সংঘটিত করতেও সময় লাগবে না। আপনারা আমাদের ১২ তারিখের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আমরা আরেকটি ৫ আগস্ট আনারও সক্ষমতা রাখি।” উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইবির টিএইচএম বিভাগের সভাপতি মো: শরিফুল ইসলামকে সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে আনা হলে শিক্ষার্থীরা হাতাহাতিতে জড়ায়। এতে প্রক্টরিয়াল বডির বিভিন্ন সদস্য ও সাংবাদিকরাও আহত হন।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত