চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

সন্তান জন্মের তিনদিন পর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন কুড়িগ্রামের শিক্ষার্থী হাওয়া আক্তার

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
সন্তান জন্মের তিনদিন পর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন কুড়িগ্রামের শিক্ষার্থী হাওয়া আক্তার

মাতৃত্ব ও শিক্ষাজীবন-দুটি বড় দায়িত্ব একসঙ্গে সামলে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা-এর এক এসএসসি পরীক্ষার্থী হাওয়া আক্তার। সন্তান জন্মের মাত্র তিনদিন পরই তিনি পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়ে সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়ন এলাকার বাসিন্দা হযরত আলীর মেয়ে হাওয়া আক্তারের গত ১৮ এপ্রিল সিজারিয়ান অপারেশন হয়। শারীরিকভাবে দুর্বল থাকা সত্ত্বেও তিনি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে নবজাতক সন্তানকে পরিবারের সদস্যদের কাছে রেখে তিনি কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের পরীক্ষার হলে উপস্থিত হন। তিনি নির্ধারিত সময়ে ‘কুরআন মাজিদ ও তাজভীদ’ বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

পরীক্ষা চলাকালে তার নবজাতক সন্তানকে পরিবারের একজন সদস্য কেন্দ্রের পাশের একটি কক্ষে রাখেন। ফলে একই সঙ্গে মায়ের পরীক্ষা এবং সন্তানের যত্ন—দুটি দায়িত্বই পরিবার সমন্বয় করে সামলান।

স্থানীয়রা জানান, কঠিন পরিস্থিতির মাঝেও লক্ষ্য থেকে সরে না যাওয়ার এই ঘটনা অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। হাওয়া আক্তারের এই সাহসিকতা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মদ নুর বখত মিঞা বলেন, তাদের কেন্দ্রে প্রায় ১ হাজার ১০০ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে একজন শিক্ষার্থী মাত্র তিনদিন আগে সন্তান জন্মের পরও পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, যা সত্যিই প্রশংসনীয় একটি ঘটনা।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


সন্তান জন্মের তিনদিন পর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন কুড়িগ্রামের শিক্ষার্থী হাওয়া আক্তার

প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মাতৃত্ব ও শিক্ষাজীবন-দুটি বড় দায়িত্ব একসঙ্গে সামলে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা-এর এক এসএসসি পরীক্ষার্থী হাওয়া আক্তার। সন্তান জন্মের মাত্র তিনদিন পরই তিনি পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়ে সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়ন এলাকার বাসিন্দা হযরত আলীর মেয়ে হাওয়া আক্তারের গত ১৮ এপ্রিল সিজারিয়ান অপারেশন হয়। শারীরিকভাবে দুর্বল থাকা সত্ত্বেও তিনি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে নবজাতক সন্তানকে পরিবারের সদস্যদের কাছে রেখে তিনি কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের পরীক্ষার হলে উপস্থিত হন। তিনি নির্ধারিত সময়ে ‘কুরআন মাজিদ ও তাজভীদ’ বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

পরীক্ষা চলাকালে তার নবজাতক সন্তানকে পরিবারের একজন সদস্য কেন্দ্রের পাশের একটি কক্ষে রাখেন। ফলে একই সঙ্গে মায়ের পরীক্ষা এবং সন্তানের যত্ন—দুটি দায়িত্বই পরিবার সমন্বয় করে সামলান।

স্থানীয়রা জানান, কঠিন পরিস্থিতির মাঝেও লক্ষ্য থেকে সরে না যাওয়ার এই ঘটনা অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। হাওয়া আক্তারের এই সাহসিকতা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মদ নুর বখত মিঞা বলেন, তাদের কেন্দ্রে প্রায় ১ হাজার ১০০ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে একজন শিক্ষার্থী মাত্র তিনদিন আগে সন্তান জন্মের পরও পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, যা সত্যিই প্রশংসনীয় একটি ঘটনা।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত