বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের হাওয়াখানা এলাকায় দাদা-নাতনীকে এক ঘরে আটকে রেখে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যা সাতটার দিকে ফিসারী দক্ষিণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি পারিবারিক বিয়ের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত। মেয়েটির সঙ্গে ওই বৃদ্ধের ছেলের বিয়ের কথা চলছিল, তবে মেয়েটি এতে সম্মত ছিল না বলে জানা গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মেয়েটি তার দাদার বাড়িতে গেলে বাড়িতে অন্য লোকজনও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাইরে থেকে কয়েকজন যুবক এসে ঘরের দরজা আটকে দেয় এবং দাদা-নাতনীর মধ্যে ‘অবৈধ সম্পর্ক’ রয়েছে বলে অভিযোগ তোলে।
তবে মেয়েটি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, ওই বৃদ্ধ তার দাদা এবং তাদের মধ্যে কোনো ধরনের অনৈতিক সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও পরিকল্পিত অপপ্রচার বলে দাবি তার।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কীভাবে ও কেন তাদের এক ঘরে আটকে রাখা হলো, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের ধারণা, বিয়ের বিষয়ে মতবিরোধের জের ধরে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের হাওয়াখানা এলাকায় দাদা-নাতনীকে এক ঘরে আটকে রেখে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যা সাতটার দিকে ফিসারী দক্ষিণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি পারিবারিক বিয়ের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত। মেয়েটির সঙ্গে ওই বৃদ্ধের ছেলের বিয়ের কথা চলছিল, তবে মেয়েটি এতে সম্মত ছিল না বলে জানা গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মেয়েটি তার দাদার বাড়িতে গেলে বাড়িতে অন্য লোকজনও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাইরে থেকে কয়েকজন যুবক এসে ঘরের দরজা আটকে দেয় এবং দাদা-নাতনীর মধ্যে ‘অবৈধ সম্পর্ক’ রয়েছে বলে অভিযোগ তোলে।
তবে মেয়েটি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, ওই বৃদ্ধ তার দাদা এবং তাদের মধ্যে কোনো ধরনের অনৈতিক সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও পরিকল্পিত অপপ্রচার বলে দাবি তার।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কীভাবে ও কেন তাদের এক ঘরে আটকে রাখা হলো, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের ধারণা, বিয়ের বিষয়ে মতবিরোধের জের ধরে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
