হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দা সুলতানাকে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শোকজ নোটিশ জারি করেছে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এস. এম. মোসলেম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক পত্রে বলা হয়, জনবল অবকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর ১৮.১ (খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কেন তার বেতন-ভাতা বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার জবাব ৭ কর্মদিবসের মধ্যে দিতে হবে।
স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন তদন্ত করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে পিবিজিএসই প্রকল্পের ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়- শৌচাগার, বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল, কমনরুম ও লাইব্রেরি বই ক্রয়ের খাতের টাকা যথাযথভাবে ব্যবহার হয়নি। প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থের কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়ে ইউনিসেফের বরাদ্দকৃত সাবান, হারপিক, হ্যান্ডওয়াশ, স্যানিটারি ন্যাপকিনসহ বিভিন্ন সামগ্রী আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এছাড়া, সৈয়দা সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত না থাকা ও দায়িত্ব পালনে অবহেলা, দাপ্তরিক কাজে অসহযোগিতা, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির ছবি বিদ্যালয়ের অফিসে প্রদর্শন করে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ, আদালত সংক্রান্ত কাজে ব্যস্ত থেকে পাঠদান ব্যাহত করা।
তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা সুলতানা জেলা প্রশাসকের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন। পরে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক শোকজ নোটিশ প্রদান করা হয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, “অধিদপ্তর থেকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হলে তা বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী মওদুদের মাধ্যমে রিসিভ করা হয়।”
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দা সুলতানা বলেন, “আমি নোটিশ পেয়েছি, তবে এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করব না।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দা সুলতানাকে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শোকজ নোটিশ জারি করেছে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এস. এম. মোসলেম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক পত্রে বলা হয়, জনবল অবকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর ১৮.১ (খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কেন তার বেতন-ভাতা বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার জবাব ৭ কর্মদিবসের মধ্যে দিতে হবে।
স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন তদন্ত করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে পিবিজিএসই প্রকল্পের ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়- শৌচাগার, বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল, কমনরুম ও লাইব্রেরি বই ক্রয়ের খাতের টাকা যথাযথভাবে ব্যবহার হয়নি। প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থের কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়ে ইউনিসেফের বরাদ্দকৃত সাবান, হারপিক, হ্যান্ডওয়াশ, স্যানিটারি ন্যাপকিনসহ বিভিন্ন সামগ্রী আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এছাড়া, সৈয়দা সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত না থাকা ও দায়িত্ব পালনে অবহেলা, দাপ্তরিক কাজে অসহযোগিতা, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির ছবি বিদ্যালয়ের অফিসে প্রদর্শন করে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ, আদালত সংক্রান্ত কাজে ব্যস্ত থেকে পাঠদান ব্যাহত করা।
তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা সুলতানা জেলা প্রশাসকের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন। পরে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক শোকজ নোটিশ প্রদান করা হয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, “অধিদপ্তর থেকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হলে তা বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী মওদুদের মাধ্যমে রিসিভ করা হয়।”
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দা সুলতানা বলেন, “আমি নোটিশ পেয়েছি, তবে এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করব না।”
