চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

লাখাইয়ে খাস ও ফসলী জমি থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
লাখাইয়ে খাস ও ফসলী জমি থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা-র মুড়িয়াউক ইউনিয়নের তেঘরিয়া গ্রামে সরকারি খাস জমি ও ফসলী জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তেঘরিয়া গ্রামের মৃত তুরাব আলীর ছেলে বাদল মিয়া ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে সরকারি খাস জমির পাশের নিজের ৪৫ শতাংশ ফসলী জমিকে কেন্দ্র করে খনন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির সঙ্গে সরকারি খাস জমি মিলিয়ে প্রায় ৪ বিঘা এলাকায় বড় আকারের পুকুর সদৃশ ডোবা খনন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এতে সরকারি খাস জমি বেহাত হওয়ার পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশ ও কৃষিজমি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

তেঘরিয়া গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে জালাল মিয়া জানান, “ড্রেজার মেশিন দিয়ে বড় ডোবা তৈরি করায় আমার দক্ষিণ পাশের ফসলী জমি ভেঙে ওই ডোবায় বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে আশপাশের জমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।”

অভিযোগের বিষয়ে বাদল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমি আমার নিজের জমি থেকে বালু উত্তোলন করে আমারই অন্য একটি জমি ভরাট করছি। তবে এ ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম-এর সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে লাখাই থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল হক জানান, “শনিবার বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে পুনরায় মেশিন চালু করা হয়ে থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও খাস জমি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


লাখাইয়ে খাস ও ফসলী জমি থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা-র মুড়িয়াউক ইউনিয়নের তেঘরিয়া গ্রামে সরকারি খাস জমি ও ফসলী জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তেঘরিয়া গ্রামের মৃত তুরাব আলীর ছেলে বাদল মিয়া ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে সরকারি খাস জমির পাশের নিজের ৪৫ শতাংশ ফসলী জমিকে কেন্দ্র করে খনন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির সঙ্গে সরকারি খাস জমি মিলিয়ে প্রায় ৪ বিঘা এলাকায় বড় আকারের পুকুর সদৃশ ডোবা খনন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এতে সরকারি খাস জমি বেহাত হওয়ার পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশ ও কৃষিজমি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

তেঘরিয়া গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে জালাল মিয়া জানান, “ড্রেজার মেশিন দিয়ে বড় ডোবা তৈরি করায় আমার দক্ষিণ পাশের ফসলী জমি ভেঙে ওই ডোবায় বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে আশপাশের জমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।”

অভিযোগের বিষয়ে বাদল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমি আমার নিজের জমি থেকে বালু উত্তোলন করে আমারই অন্য একটি জমি ভরাট করছি। তবে এ ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম-এর সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে লাখাই থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল হক জানান, “শনিবার বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে পুনরায় মেশিন চালু করা হয়ে থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও খাস জমি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত