চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

রামপাল ফয়লাহাট স্কুলে ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টা

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
রামপাল ফয়লাহাট স্কুলে ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টা

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অলিউর রহমানের বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে হেনস্তা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছাত্রীর অভিভাবক মল্লিক মাহফুজুর রহমান বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষক অলিউর দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে তার কাছে প্রাইভেট পড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ছাত্রীকে নির্যাতন করতে থাকেন। মাঝে মধ্যে স্কেল দিয়ে আঘাত করে আহত করেন। এমনকি প্রধান শিক্ষক শরীফুল ইসলামকে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় শিক্ষক অলিউর আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন এবং পুনরায় ছাত্রীকে মারপিট ও অপমান করেন। এতে ছাত্রী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং এখন স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে।

অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন, এর আগেও অলিউরের বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল, তবে প্রতিবারই তিনি প্রভাব খাটিয়ে অভিযোগ ধামাচাপা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে ছাত্রীর পিতা মাহফুজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। শিক্ষক অলিউর মাফও চেয়েছেন।"

অভিযুক্ত শিক্ষক অলিউর রহমান অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আলী জানান, "জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত শুরু হয়েছে। কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। প্রকাশ্যে ও গোপনে তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে শিক্ষক অলিউর বিভিন্ন ব্যক্তিকে দিয়ে তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


রামপাল ফয়লাহাট স্কুলে ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৫

featured Image

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অলিউর রহমানের বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে হেনস্তা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছাত্রীর অভিভাবক মল্লিক মাহফুজুর রহমান বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষক অলিউর দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে তার কাছে প্রাইভেট পড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ছাত্রীকে নির্যাতন করতে থাকেন। মাঝে মধ্যে স্কেল দিয়ে আঘাত করে আহত করেন। এমনকি প্রধান শিক্ষক শরীফুল ইসলামকে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় শিক্ষক অলিউর আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন এবং পুনরায় ছাত্রীকে মারপিট ও অপমান করেন। এতে ছাত্রী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং এখন স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে।

অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন, এর আগেও অলিউরের বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল, তবে প্রতিবারই তিনি প্রভাব খাটিয়ে অভিযোগ ধামাচাপা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে ছাত্রীর পিতা মাহফুজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। শিক্ষক অলিউর মাফও চেয়েছেন।"

অভিযুক্ত শিক্ষক অলিউর রহমান অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আলী জানান, "জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত শুরু হয়েছে। কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। প্রকাশ্যে ও গোপনে তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে শিক্ষক অলিউর বিভিন্ন ব্যক্তিকে দিয়ে তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত