তীব্র গরমের মধ্যে রাজশাহী-তে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন প্রায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে স্বল্প সময় বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় নগরবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফ্যান, পানি সরবরাহ, মোবাইল চার্জিং—সব ক্ষেত্রেই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।
এদিকে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বলছেন, দিনের বেলায় গরমের কারণে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে কিছুটা স্বস্তিতে পড়তে বসলে শুরু হয় লোডশেডিং, ফলে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অভিযোগ করেছেন, বিদ্যুৎ সংকটে তাদের উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে গ্রাহকরাও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। অনেকেই বিকল্প হিসেবে জেনারেটর ব্যবহার করতে চাইলেও জ্বালানি সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।
এছাড়া শহরের পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সিরিয়াল আসার আগেই তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় জেনারেটর চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এভাবে লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় আরও বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
তীব্র গরমের মধ্যে রাজশাহী-তে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন প্রায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে স্বল্প সময় বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় নগরবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফ্যান, পানি সরবরাহ, মোবাইল চার্জিং—সব ক্ষেত্রেই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।
এদিকে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বলছেন, দিনের বেলায় গরমের কারণে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে কিছুটা স্বস্তিতে পড়তে বসলে শুরু হয় লোডশেডিং, ফলে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অভিযোগ করেছেন, বিদ্যুৎ সংকটে তাদের উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে গ্রাহকরাও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। অনেকেই বিকল্প হিসেবে জেনারেটর ব্যবহার করতে চাইলেও জ্বালানি সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।
এছাড়া শহরের পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সিরিয়াল আসার আগেই তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় জেনারেটর চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এভাবে লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় আরও বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
