চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মাধবপুরে নিশান এনজিওর শত কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি বিক্রির পাঁয়তারা

প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
মাধবপুরে নিশান এনজিওর শত কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি বিক্রির পাঁয়তারা

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত ‘নিশান পরিবেশ স্বাস্থ্য ও সোসাইটি’ নামের একটি এনজিওর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন আগে আত্মগোপনে চলে গেলেও সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল প্রতিষ্ঠানটির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি গোপনে রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি ছাড়া যাতে কোনোভাবেই এই সম্পত্তি বিক্রি না করা যায়। তারা আশা করছেন, হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর দ্রুত হস্তক্ষেপ করবেন।

ভুক্তভোগী কামাল মিয়া বলেন, “আমার শেষ সম্বল জায়গা বিক্রি করে মুনাফার আশায় ওই এনজিওতে টাকা জমা রেখেছিলাম। আজ নিঃস্ব হয়ে গেছি।”

রিকশাচালক মিজান মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “পায়ের ঘাম মাটিতে ফেলে সামান্য টাকা রুজি করি। সেই টাকা দিয়ে ডিপিএস করেছিলাম। সব টাকা নিয়ে পালিয়ে গেল তারা।”

এ বিষয়ে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. ইসমাইল তালুকদার বলেন, “আমরা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করে যাচ্ছি।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জায়েদ বিন কাশেম বলেন, “এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ভুক্তভোগীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।”

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


মাধবপুরে নিশান এনজিওর শত কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি বিক্রির পাঁয়তারা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত ‘নিশান পরিবেশ স্বাস্থ্য ও সোসাইটি’ নামের একটি এনজিওর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন আগে আত্মগোপনে চলে গেলেও সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল প্রতিষ্ঠানটির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি গোপনে রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি ছাড়া যাতে কোনোভাবেই এই সম্পত্তি বিক্রি না করা যায়। তারা আশা করছেন, হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর দ্রুত হস্তক্ষেপ করবেন।

ভুক্তভোগী কামাল মিয়া বলেন, “আমার শেষ সম্বল জায়গা বিক্রি করে মুনাফার আশায় ওই এনজিওতে টাকা জমা রেখেছিলাম। আজ নিঃস্ব হয়ে গেছি।”

রিকশাচালক মিজান মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “পায়ের ঘাম মাটিতে ফেলে সামান্য টাকা রুজি করি। সেই টাকা দিয়ে ডিপিএস করেছিলাম। সব টাকা নিয়ে পালিয়ে গেল তারা।”

এ বিষয়ে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. ইসমাইল তালুকদার বলেন, “আমরা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করে যাচ্ছি।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জায়েদ বিন কাশেম বলেন, “এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ভুক্তভোগীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।”


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত