চেক পোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে পড়বে বাংলাদেশেও!

প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে পড়বে বাংলাদেশেও!
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। গত ২ মার্চ এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানায়, প্রণালিটি সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে এবং এই পথ দিয়ে চলাচলকারী যে কোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর ইরান পাল্টা হামলা চালালে এই সংকট সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের জন্য এই প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, ইরান ও ইরাক এসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পূর্ণভাবে হরমুজ প্রণালি নির্ভর। বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই সাত দেশ থেকে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। একই সময়ে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণার পরপরই শিপিং লাইনগুলো মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশের জন্য রপ্তানি কনটেইনারের বুকিং স্থগিত করেছে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দর, প্রাইভেট ডিপো, কলম্বো বন্দর ও চারটি আন্তর্জাতিক বন্দরে বিপুল সংখ্যক কনটেইনার আটকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শিপিং কোম্পানিগুলোর প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এক হাজারের বেশি কনটেইনার বর্তমানে বিভিন্ন পয়েন্টে আটকে আছে।   জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা হরমুজ প্রণালি বন্ধের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে দেশের জ্বালানি খাতে। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল এবং কাতার থেকে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) পুরো চালানই এই পথ দিয়ে আসে। ড্রোন হামলার পর সৌদি আরামকো দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার রাস তানুরা বন্ধ করে দিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল প্রক্রিয়াজাত করা এই স্থাপনাটি আরামকোর অন্যতম প্রধান শোধনাগার। অন্যদিকে ইরানের ড্রোন হামলার কারণে কাতারএনার্জির একটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এলএনজি রপ্তানি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে । কাতার বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানিকারক এবং বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ একা এই দেশটি দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, ৩ মার্চ পর্যন্ত দেশে ডিজেল মজুত রয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১০ টন, যা প্রায় দুই সপ্তাহের চাহিদা মেটাতে পারবে। পেট্রোল আছে ২১ হাজার ৭০৫ টন (প্রায় ২০ দিনের), অকটেন ৩৪ হাজার ১৩৩ টন (প্রায় ৩০ দিনের)। পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, মার্চ মাসে দেশের চাহিদা মেটাতে কমপক্ষে ৮টি এলএনজি কার্গো প্রয়োজন। এর মধ্যে ৪টি জাহাজ ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে এসেছে, যা ১৫ মার্চ পর্যন্ত সরবরাহ নিশ্চিত করবে। তবে ১৫ ও ১৮ মার্চ যেসব জাহাজ আসার কথা ছিল, সেগুলোর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। বার্থ অপারেটরস, শিপহ্যান্ডলিং অপারেটরস অ্যান্ড টার্মিনাল অপারেটরস ওনারস অ্যাসোসিয়েশন (বোটসোয়া) সভাপতি ফজলে একরাম চৌধুরী বলেন, আমরা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তায় আছি। তেলের দাম বাড়লে আমাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাবে। চুক্তিতে একটা নির্দিষ্ট রেটে আমরা কাজ করি। এরমধ্যে চুক্তির পর তেলের দাম বাড়লেও আমাদের রেট সমন্বয় করা হয়নি। এখন আবার বাড়লে অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে। এই ক্ষেত্রে সরকারের ভর্তুকি দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে আটকা পড়েছে। জাহাজটিতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক রয়েছেন। এই জাহাজের অবস্থান থেকে মাত্র কয়েকশ মিটার দূরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জানতে চাইলে বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, জাহাজের সব নাবিক নিরাপদে আছেন। মাস্টারকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ জোরদার ও নাবিকদের মনোবল বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাহাজের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। একই সময় হরমুজ প্রণালির আশপাশের অন্তত তিনটি বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ আরব সাগরে অবস্থান করছে।   জরুরি প্রস্তুতির তাগিদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে তা শুধু জ্বালানি খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না— খাদ্য উৎপাদন, রপ্তানি আয়, রেমিট্যান্স এবং মূল্যস্ফীতির ওপর একযোগে চাপ সৃষ্টি করবে। প্রবাসীকল্যাণ খাতেও বড় ধাক্কা লাগতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত আছেন, যারা দেশের মোট রেমিট্যান্সের ৪৯ শতাংশ পাঠান । সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক ও ইয়েমেনে হামলার কারণে সেখানকার কর্মসংস্থান হুমকির মুখে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ বা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের ফলে সৃষ্ট যে কোনো সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির জন্য সব সম্ভাব্য উৎস নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন। দরকার হলে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিকল্প উৎস হিসেবে অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, অ্যাঙ্গোলা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে । সুত্র: এশিয়া পোস্ট

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে পড়বে বাংলাদেশেও!

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬

featured Image
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। গত ২ মার্চ এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানায়, প্রণালিটি সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে এবং এই পথ দিয়ে চলাচলকারী যে কোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর ইরান পাল্টা হামলা চালালে এই সংকট সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের জন্য এই প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, ইরান ও ইরাক এসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পূর্ণভাবে হরমুজ প্রণালি নির্ভর। বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই সাত দেশ থেকে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। একই সময়ে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণার পরপরই শিপিং লাইনগুলো মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশের জন্য রপ্তানি কনটেইনারের বুকিং স্থগিত করেছে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দর, প্রাইভেট ডিপো, কলম্বো বন্দর ও চারটি আন্তর্জাতিক বন্দরে বিপুল সংখ্যক কনটেইনার আটকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শিপিং কোম্পানিগুলোর প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এক হাজারের বেশি কনটেইনার বর্তমানে বিভিন্ন পয়েন্টে আটকে আছে।   জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা হরমুজ প্রণালি বন্ধের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে দেশের জ্বালানি খাতে। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল এবং কাতার থেকে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) পুরো চালানই এই পথ দিয়ে আসে। ড্রোন হামলার পর সৌদি আরামকো দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার রাস তানুরা বন্ধ করে দিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল প্রক্রিয়াজাত করা এই স্থাপনাটি আরামকোর অন্যতম প্রধান শোধনাগার। অন্যদিকে ইরানের ড্রোন হামলার কারণে কাতারএনার্জির একটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এলএনজি রপ্তানি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে । কাতার বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানিকারক এবং বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ একা এই দেশটি দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, ৩ মার্চ পর্যন্ত দেশে ডিজেল মজুত রয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১০ টন, যা প্রায় দুই সপ্তাহের চাহিদা মেটাতে পারবে। পেট্রোল আছে ২১ হাজার ৭০৫ টন (প্রায় ২০ দিনের), অকটেন ৩৪ হাজার ১৩৩ টন (প্রায় ৩০ দিনের)। পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, মার্চ মাসে দেশের চাহিদা মেটাতে কমপক্ষে ৮টি এলএনজি কার্গো প্রয়োজন। এর মধ্যে ৪টি জাহাজ ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে এসেছে, যা ১৫ মার্চ পর্যন্ত সরবরাহ নিশ্চিত করবে। তবে ১৫ ও ১৮ মার্চ যেসব জাহাজ আসার কথা ছিল, সেগুলোর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। বার্থ অপারেটরস, শিপহ্যান্ডলিং অপারেটরস অ্যান্ড টার্মিনাল অপারেটরস ওনারস অ্যাসোসিয়েশন (বোটসোয়া) সভাপতি ফজলে একরাম চৌধুরী বলেন, আমরা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তায় আছি। তেলের দাম বাড়লে আমাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাবে। চুক্তিতে একটা নির্দিষ্ট রেটে আমরা কাজ করি। এরমধ্যে চুক্তির পর তেলের দাম বাড়লেও আমাদের রেট সমন্বয় করা হয়নি। এখন আবার বাড়লে অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে। এই ক্ষেত্রে সরকারের ভর্তুকি দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে আটকা পড়েছে। জাহাজটিতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক রয়েছেন। এই জাহাজের অবস্থান থেকে মাত্র কয়েকশ মিটার দূরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জানতে চাইলে বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, জাহাজের সব নাবিক নিরাপদে আছেন। মাস্টারকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ জোরদার ও নাবিকদের মনোবল বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাহাজের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। একই সময় হরমুজ প্রণালির আশপাশের অন্তত তিনটি বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ আরব সাগরে অবস্থান করছে।   জরুরি প্রস্তুতির তাগিদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে তা শুধু জ্বালানি খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না— খাদ্য উৎপাদন, রপ্তানি আয়, রেমিট্যান্স এবং মূল্যস্ফীতির ওপর একযোগে চাপ সৃষ্টি করবে। প্রবাসীকল্যাণ খাতেও বড় ধাক্কা লাগতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত আছেন, যারা দেশের মোট রেমিট্যান্সের ৪৯ শতাংশ পাঠান । সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক ও ইয়েমেনে হামলার কারণে সেখানকার কর্মসংস্থান হুমকির মুখে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ বা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের ফলে সৃষ্ট যে কোনো সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির জন্য সব সম্ভাব্য উৎস নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন। দরকার হলে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিকল্প উৎস হিসেবে অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, অ্যাঙ্গোলা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে । সুত্র: এশিয়া পোস্ট

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত