চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ভৈরব সেতুর নির্মাণে কচ্ছপগতি, দফায় দফায় বাড়ছে মেয়াদ

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ভৈরব সেতুর নির্মাণে কচ্ছপগতি, দফায় দফায় বাড়ছে মেয়াদ

খুলনার মানুষের বহু প্রতীক্ষিত ভৈরব সেতুর নির্মাণ কাজে সাড়ে চার বছরেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। মাত্র ১৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ফলে সেতু নিয়ে খুলনাবাসীর আশা ক্রমেই নিরাশায় রূপ নিচ্ছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর একনেকে অনুমোদন পাওয়া এ প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের ২৪ মে শুরু হয়। কিন্তু শুরু থেকেই নানা জটিলতায় অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়। অধিগ্রহণকৃত জমি বুঝে পেতে দেরি, নকশা পরিবর্তন, করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা, নির্মাণ সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি ও শ্রমিক সংকট প্রকল্পের গতি থামিয়ে দেয়।

বর্তমানে সেতুর শহরাংশে পাইলিং কাজ চলছে। সাইট ইঞ্জিনিয়ার আজিজুল হাসান আকাশ জানান, দিঘলিয়া প্রান্তে ১৪টির মধ্যে ১৩টি পিলারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শহরাংশে ৭টি পিলারের পাইলিং সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি পিলারের কাজ চলছে।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী এস এম নাজমুল হক বলেন, “শুরু থেকেই জমি বুঝে না পাওয়া এবং অর্থনৈতিক সংকটের কারণে কাজ ধীরগতিতে চলে। তবে এখন থেকে কাজের ধারাবাহিকতা থাকবে। নকশা অনুমোদন ও রেলওয়ের জমি বুঝে পেলে গতি বাড়বে।”

সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তানিমুল হক বলেন, “এখন পর্যন্ত ১৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করছি ২০২৭ সালের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও বাজেট বাড়বে না। শুধু বর্ধিত কাজের ব্যয় পূর্বে বাঁচানো অর্থ থেকেই মেটানো হবে।”

খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, “খুলনাবাসীর ধারাবাহিক বঞ্চনার প্রতিফলন হলো ভৈরব সেতু। এ ধরনের প্রকল্পে সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জরুরি। ইতিমধ্যে অনেক অর্থ অপচয় হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের উচিত প্রকল্পে কোনো অনিয়ম হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা।”

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ভৈরব সেতুর নির্মাণে কচ্ছপগতি, দফায় দফায় বাড়ছে মেয়াদ

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

খুলনার মানুষের বহু প্রতীক্ষিত ভৈরব সেতুর নির্মাণ কাজে সাড়ে চার বছরেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। মাত্র ১৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ফলে সেতু নিয়ে খুলনাবাসীর আশা ক্রমেই নিরাশায় রূপ নিচ্ছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর একনেকে অনুমোদন পাওয়া এ প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের ২৪ মে শুরু হয়। কিন্তু শুরু থেকেই নানা জটিলতায় অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়। অধিগ্রহণকৃত জমি বুঝে পেতে দেরি, নকশা পরিবর্তন, করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা, নির্মাণ সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি ও শ্রমিক সংকট প্রকল্পের গতি থামিয়ে দেয়।

বর্তমানে সেতুর শহরাংশে পাইলিং কাজ চলছে। সাইট ইঞ্জিনিয়ার আজিজুল হাসান আকাশ জানান, দিঘলিয়া প্রান্তে ১৪টির মধ্যে ১৩টি পিলারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শহরাংশে ৭টি পিলারের পাইলিং সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি পিলারের কাজ চলছে।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী এস এম নাজমুল হক বলেন, “শুরু থেকেই জমি বুঝে না পাওয়া এবং অর্থনৈতিক সংকটের কারণে কাজ ধীরগতিতে চলে। তবে এখন থেকে কাজের ধারাবাহিকতা থাকবে। নকশা অনুমোদন ও রেলওয়ের জমি বুঝে পেলে গতি বাড়বে।”

সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তানিমুল হক বলেন, “এখন পর্যন্ত ১৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করছি ২০২৭ সালের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও বাজেট বাড়বে না। শুধু বর্ধিত কাজের ব্যয় পূর্বে বাঁচানো অর্থ থেকেই মেটানো হবে।”

খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, “খুলনাবাসীর ধারাবাহিক বঞ্চনার প্রতিফলন হলো ভৈরব সেতু। এ ধরনের প্রকল্পে সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জরুরি। ইতিমধ্যে অনেক অর্থ অপচয় হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের উচিত প্রকল্পে কোনো অনিয়ম হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা।”


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত