গাজীপুরের কালীগঞ্জে দেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপার্সন ও আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পবিত্র জুমার নামাজ শেষে কালীগঞ্জ উপজেলার সকল মসজিদে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, আপোষহীন আন্দোলনের নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের মুক্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
মুসুল্লিরা বলেন, একজন গৃহবধু থেকে শুরু করে আপোষহীন আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়। তিনি শুধু একজন রাজনীতিক নন, বরং গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। তার জানাজায় মানুষের ঢল নেমে আসা ছিল ইতিহাসের বিরল ঘটনা, যা তার প্রতি জনগণের ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
গাজীপুরের কালীগঞ্জে দেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপার্সন ও আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পবিত্র জুমার নামাজ শেষে কালীগঞ্জ উপজেলার সকল মসজিদে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, আপোষহীন আন্দোলনের নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের মুক্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
মুসুল্লিরা বলেন, একজন গৃহবধু থেকে শুরু করে আপোষহীন আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়। তিনি শুধু একজন রাজনীতিক নন, বরং গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। তার জানাজায় মানুষের ঢল নেমে আসা ছিল ইতিহাসের বিরল ঘটনা, যা তার প্রতি জনগণের ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।
