চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

বিলডাকাতিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা নিরসনে সমীক্ষা চলছে

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
বিলডাকাতিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা নিরসনে সমীক্ষা চলছে

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো: এনায়েত উল্লাহ জানিয়েছেন, বিলডাকাতিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য সরকার সম্ভাব্য সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) শুরু করেছে।

ডুমুরিয়া শৈলমারী নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য নদী ড্রেজিং, ২৪টি খাল পুনঃখনন এবং ভবদহসহ বিভিন্ন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের ওপর সমীক্ষা চলছে। সরকারের লক্ষ্য হলো সমন্বিতভাবে এলাকার পানি নিস্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা করা।

আজ ২৩ আগস্ট সকালে তিনি বৈরি আবহাওয়ার মধ্যে শৈলমারী রেগুলেটর, কালিঘাট রেগুলেটর, রংপুর ইউনিয়ন পরিষদ ও হামকুড়া নদীর অববাহিকা পরিদর্শন করেন। তিনি কালিঘাট খালের অবৈধ বাধ অপসারণ ও পানি নিস্কাশনের সুব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেন।

এছাড়া তিনি বলেন, মৃত হামকুড়া নদী পুনরুজ্জীবিত ও সংশ্লিষ্ট খালগুলিতে সমন্বিত পানি প্রকল্প (টি আর এম) বাস্তবায়নের দাবি এলাকাবাসী জানিয়েছে।

১৯৮৮ সাল থেকে বিলডাকাতিয়ার মানুষ পানির সাথে সংগ্রাম করে আসছে। গত দুই বছরে ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার পরিবার বর্ষা মৌসুমে পানিবন্দি অবস্থায় জীবনযাপন করছে। বর্তমানে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বরাদ্দে শৈলমারী গেট থেকে সালতা মোহনা পর্যন্ত পলি অপসারণের কাজ চলমান।

তবে বড় সমাধানের জন্য শৈলমারী নদীর ১৫.৫ কিলোমিটার ড্রেজিং, উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন পাঁচটি পাম্প স্থাপন এবং ২৪টি খাল পুনঃখননের সমীক্ষা এখনো চলমান।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


বিলডাকাতিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা নিরসনে সমীক্ষা চলছে

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৫

featured Image

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো: এনায়েত উল্লাহ জানিয়েছেন, বিলডাকাতিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য সরকার সম্ভাব্য সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) শুরু করেছে।

ডুমুরিয়া শৈলমারী নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য নদী ড্রেজিং, ২৪টি খাল পুনঃখনন এবং ভবদহসহ বিভিন্ন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের ওপর সমীক্ষা চলছে। সরকারের লক্ষ্য হলো সমন্বিতভাবে এলাকার পানি নিস্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা করা।

আজ ২৩ আগস্ট সকালে তিনি বৈরি আবহাওয়ার মধ্যে শৈলমারী রেগুলেটর, কালিঘাট রেগুলেটর, রংপুর ইউনিয়ন পরিষদ ও হামকুড়া নদীর অববাহিকা পরিদর্শন করেন। তিনি কালিঘাট খালের অবৈধ বাধ অপসারণ ও পানি নিস্কাশনের সুব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেন।

এছাড়া তিনি বলেন, মৃত হামকুড়া নদী পুনরুজ্জীবিত ও সংশ্লিষ্ট খালগুলিতে সমন্বিত পানি প্রকল্প (টি আর এম) বাস্তবায়নের দাবি এলাকাবাসী জানিয়েছে।

১৯৮৮ সাল থেকে বিলডাকাতিয়ার মানুষ পানির সাথে সংগ্রাম করে আসছে। গত দুই বছরে ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার পরিবার বর্ষা মৌসুমে পানিবন্দি অবস্থায় জীবনযাপন করছে। বর্তমানে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বরাদ্দে শৈলমারী গেট থেকে সালতা মোহনা পর্যন্ত পলি অপসারণের কাজ চলমান।

তবে বড় সমাধানের জন্য শৈলমারী নদীর ১৫.৫ কিলোমিটার ড্রেজিং, উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন পাঁচটি পাম্প স্থাপন এবং ২৪টি খাল পুনঃখননের সমীক্ষা এখনো চলমান।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত