চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

বাগেরহাটে জোরপূর্বক কেনা জমির গাছ কাটার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
বাগেরহাটে জোরপূর্বক কেনা জমির গাছ কাটার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার অন্তর্গত ৪৬ নম্বর টাউন নওয়াপাড়া এলাকায় জোরপূর্বক ক্রয়কৃত জমির গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে চুলকাটি প্রেসক্লাবের হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মো. হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, ২০১৯ সালের ২০ মে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার টাউন নওয়াপাড়া মৌজার এসএ-১২৬ ও আরএস-৩৩১ দাগভুক্ত ০.০৬৩৩ একর জমি ক্রয়ের জন্য মকছেদ শেখের সঙ্গে বায়না চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী জমির মূল্য নির্ধারিত থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ধারদেনা ও ঋণ নিয়ে জমি নিতে বাধ্য হয়ে মোট প্রায় সাত লক্ষ টাকা পরিশোধ করলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দলিল বুঝে পাননি। ২০২০ সালের ২১ জুলাই ফকিরহাট রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলে স্বাক্ষর করলেও মকছেদ শেখ সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরবর্তীতে জমির মালিকানা ফিরে পেতে ২০২১ সালের ২৯ এপ্রিল ফকিরহাট সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং–১২৯)। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালের ২৩ এপ্রিল আদালত ভুক্তভোগীর পক্ষে রায় প্রদান করেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ ফকিরহাট সহকারী জজ আদালতের মাধ্যমে কবলা দলিল বুঝে পান তারা।

ভুক্তভোগী আরও জানান, চলতি বছরের ৪ জুলাই আমিন দিয়ে জমি মাপঝোক ও সীমানা নির্ধারণের সময় মকছেদ গং বাহিনী বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এরপর গত ২২ ডিসেম্বর সকালে জমিতে গিয়ে দেখা যায়, জমির সব ধরনের গাছ কেটে নিয়ে গেছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লক্ষ টাকা।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, আলতাফ শেখের ছেলে মাহমুদ অজ্ঞাত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে গাছগুলো কেটে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ফকিরহাট মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে প্রভাবশালীদের ভয়ে স্থানীয়রা সাক্ষ্য দিতে সাহস না পাওয়ায় তিনি জিডি করতে পারেননি বলেও অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলন থেকে ভুক্তভোগী পরিবার তাদের ক্রয়কৃত জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল নিশ্চিত করা এবং কেটে নেওয়া গাছের ক্ষতিপূরণ আদায়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


বাগেরহাটে জোরপূর্বক কেনা জমির গাছ কাটার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার অন্তর্গত ৪৬ নম্বর টাউন নওয়াপাড়া এলাকায় জোরপূর্বক ক্রয়কৃত জমির গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে চুলকাটি প্রেসক্লাবের হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মো. হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, ২০১৯ সালের ২০ মে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার টাউন নওয়াপাড়া মৌজার এসএ-১২৬ ও আরএস-৩৩১ দাগভুক্ত ০.০৬৩৩ একর জমি ক্রয়ের জন্য মকছেদ শেখের সঙ্গে বায়না চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী জমির মূল্য নির্ধারিত থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ধারদেনা ও ঋণ নিয়ে জমি নিতে বাধ্য হয়ে মোট প্রায় সাত লক্ষ টাকা পরিশোধ করলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দলিল বুঝে পাননি। ২০২০ সালের ২১ জুলাই ফকিরহাট রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলে স্বাক্ষর করলেও মকছেদ শেখ সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরবর্তীতে জমির মালিকানা ফিরে পেতে ২০২১ সালের ২৯ এপ্রিল ফকিরহাট সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং–১২৯)। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালের ২৩ এপ্রিল আদালত ভুক্তভোগীর পক্ষে রায় প্রদান করেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ ফকিরহাট সহকারী জজ আদালতের মাধ্যমে কবলা দলিল বুঝে পান তারা।

ভুক্তভোগী আরও জানান, চলতি বছরের ৪ জুলাই আমিন দিয়ে জমি মাপঝোক ও সীমানা নির্ধারণের সময় মকছেদ গং বাহিনী বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এরপর গত ২২ ডিসেম্বর সকালে জমিতে গিয়ে দেখা যায়, জমির সব ধরনের গাছ কেটে নিয়ে গেছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লক্ষ টাকা।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, আলতাফ শেখের ছেলে মাহমুদ অজ্ঞাত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে গাছগুলো কেটে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ফকিরহাট মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে প্রভাবশালীদের ভয়ে স্থানীয়রা সাক্ষ্য দিতে সাহস না পাওয়ায় তিনি জিডি করতে পারেননি বলেও অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলন থেকে ভুক্তভোগী পরিবার তাদের ক্রয়কৃত জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল নিশ্চিত করা এবং কেটে নেওয়া গাছের ক্ষতিপূরণ আদায়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত