বড়াইগ্রামে নির্বাচনী প্রচারে নারী কর্মীদের ওপর হেনস্তার অভিযোগ, ব্যানার–ফেস্টুন ভাঙচুরের অভিযোগ
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নাটোরের বড়াইগ্রামে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে নারী কর্মীরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে নির্বাচনি প্রচারে বাধা প্রদান ও ব্যানার–ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতাকর্মীরা এসব অভিযোগ জানান। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাবেক শিবির নেতা হুমায়ন কবীর। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে এনসিপির অঙ্গসংগঠন জাতীয় যুব শক্তির জেলা সদস্য সচিব শারমিন আক্তারের নেতৃত্বে ৭–৮ জন নারী বড়াইগ্রাম উপজেলার শ্রীখন্ডি গীর্জা এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চান। এ সময় ধানের শীষের স্টিকার ও ব্যানার লাগানো দুটি মোটরসাইকেলে ৪–৫ জন ব্যক্তি সেখানে এসে নিজেদের ধানের শীষের কর্মী পরিচয় দিয়ে নারী কর্মীদের প্রচারে বাধা দেন। তারা গালিগালাজ ও হুমকি-ধমকি দিলে নিরাপত্তাহীনতার কারণে নারীরা প্রচার বন্ধ করে চলে যেতে বাধ্য হন।
এছাড়া, একই দিন রাতেও বনপাড়া পৌরসভার মহিষভাঙ্গা এলাকায় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে টাঙানো ব্যানার ও ফেস্টুন কে বা কারা ছিঁড়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এসব ঘটনার জন্য বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের দায়ী করেন ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শারমিন আক্তার, হেফাজতে ইসলামের উপজেলা সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক, এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক আমীর হামজা, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আক্কাস আলী তাহাস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা শিহাব উদ্দিন এবং জাতীয় ছাত্র শক্তির উপজেলা সদস্য সচিব নাঈম ইসলাম।
অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও বড়াইগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত