পাবনার বেড়া উপজেলার নাকালিয়া বাজারে পাম অয়েল, ডালডা ও সাবানের গুঁড়া মিশিয়ে বিষাক্ত নকল দুধ তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খান এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাকালিয়া বাজারের দুটি দোকানে অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ উপকরণ পাম অয়েল, ছানার পানি, ডালডা, আটা, কৃত্রিম ক্রিম ও সাবানের গুঁড়া ব্যবহার করে নকল দুধ প্রস্তুত করা হচ্ছিল।
অভিযানকালে বিপুল পরিমাণ পচনশীল ও দুর্গন্ধযুক্ত নকল খাদ্যসামগ্রী জনসমক্ষে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত ক্রিম সেপারেটর মেশিন, ব্লেন্ডারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। দোকান দুটি তালাবদ্ধ করে চাবি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
নকল দুধ তৈরির সময় তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে তারা ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সাজা প্রদান সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত হবে না—এই মর্মে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযানের খবর পেয়ে কারখানার মূল হোতা ও দোকান মালিক হাফিজুর রহমান হীরা কৌশলে পালিয়ে যান। প্রশাসন জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান এবং তাকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খান বলেন, “জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান। ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
পাবনার বেড়া উপজেলার নাকালিয়া বাজারে পাম অয়েল, ডালডা ও সাবানের গুঁড়া মিশিয়ে বিষাক্ত নকল দুধ তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খান এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাকালিয়া বাজারের দুটি দোকানে অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ উপকরণ পাম অয়েল, ছানার পানি, ডালডা, আটা, কৃত্রিম ক্রিম ও সাবানের গুঁড়া ব্যবহার করে নকল দুধ প্রস্তুত করা হচ্ছিল।
অভিযানকালে বিপুল পরিমাণ পচনশীল ও দুর্গন্ধযুক্ত নকল খাদ্যসামগ্রী জনসমক্ষে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত ক্রিম সেপারেটর মেশিন, ব্লেন্ডারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। দোকান দুটি তালাবদ্ধ করে চাবি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
নকল দুধ তৈরির সময় তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে তারা ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সাজা প্রদান সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত হবে না—এই মর্মে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযানের খবর পেয়ে কারখানার মূল হোতা ও দোকান মালিক হাফিজুর রহমান হীরা কৌশলে পালিয়ে যান। প্রশাসন জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান এবং তাকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খান বলেন, “জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান। ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
